আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১৫-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

চরমপন্থা প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশের বিরাট সফলতা : হর্ষবর্ধন

সিলেটে ভারতীয় হাইকমিশন শিগগিরই

সিলেট ব্যুরো
| শেষ পাতা

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, সিলেট বিভাগ হচ্ছে উত্তরপূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার। এ বিবেচনায় এখানে ইন্ডিয়ান হাইকমিশনের শাখা অফিস খোলা হচ্ছে। কিছু দিনের মধ্যে সিলেট অফিসে একজন সহকারী হাইকমিশনার যোগদান করবেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের লোকজনের ভিসাপ্রাপ্তির পাশাপাশি উত্তরপূর্ব ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ সহজতর হবে।

শুক্রবার আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) মন্দিরে ভারতীয় হাইকমিশনের অর্থায়নে অভয়চরন ভয়েস ছাত্রাবাসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসকন বাংলাদেশের সভাপতি সাবেক ডিআইজি এসআর বাড়ৈর সভাপতিত্বে দেবামৃত নিতাই দাস ও ডা. সত্য সুন্দরী দেবী দাসীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অরুন কুমার মালাকার, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত পুরকায়স্থ, ইসকন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক চারু চন্দ্র দাস ব্রহ্মচারী, ভারতের ইসকন মায়াপুর ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক আনন্দ বর্ধন দাস ব্রহ্মচারী, ইসকন বাংলাদেশের প্রথম সন্নাসী ভক্তিপ্রিয়ম গদাধর স্বামী মহারাজ, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পরিতোষ ঘোষ, নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবদুল খালিক, যুগ্ম সম্পাদক বিজিত চৌধুরী, শাবির প্রক্টর হিমাদ্রী শেখর রায়, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস জার্নালিস্ট কমিশন সিলেটের সভাপতি ফয়সল আহমদ বাবলু প্রমুখ।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, সবসময় ভারত বাংলাদেশের পাশে আছে, পাশে থাকবে। ভারত ও বাংলাদেশ দ্রুত উন্নয়নের দেশ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ক আরও মর্যাদায় পৌঁছেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ আর্থসামাজিক উন্নয়নে অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছে। বিশেষ করে চরমপন্থার ধারণাকে বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। এটি বিরাট সফলতা। এতে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত খুবই গর্বিত।
হর্ষবর্ধন বলেন, কুলাউড়া শাহবাজপুর রেললাইন সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। এটি চালু হলে দুই দেশের ব্যবসা বাণিজ্য আরও বাড়বে।
তিনি বলেন, কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য কর্ম আমাদের দুই দেশের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করেছে। এতে বাংলা সাহিত্য কর্মও আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে।