আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১৯-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

টেলিনর ইয়ুথ ফোরামের দুই বিজয়ী যাচ্ছেন অসলো

প্রযুক্তি প্রতিবেদক
| আলোকিত প্রযুক্তি

১৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বসুন্ধরায় জিপি হাউজে অনুষ্ঠিত টেলিনর ইয়ুথ ফোরাম ২০১৮-এর গ্র্যান্ড ফিনালেতে ৮ ফাইনালিস্টের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র শিক্ষার্থী সায়মা মেহেদী খান এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সামিন আলম বিজয়ী হয়েছেন। টিওয়াইএফ ২০১৮-এর বিজয়ীরা আগামী ডিসেম্বরে টেলিনরের কার্যক্রম রয়েছে এমন সাতটি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মিলিত হতে নরওয়ের রাজধানী অসলো যাবেন। গ্র্যান্ড ফিনালেতে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। টেলিনরের কার্যক্রম রয়েছে এমন ৮টি দেশের ১৮ থেকে ২৮ বছর বয়সি তরুণদের সবার সামনে নিজেদের জীবন পরিবর্তনকারী ধারণা উপস্থাপনের সুযোগ করে দিতে নোবেল পিস সেন্টারের সঙ্গে যৌথভাবে প্রতি বছর টেলিনর ইয়ুথ ফোরাম আয়োজন করে টেলিনর গ্রুপ। এবারের টিওয়াইএফের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘ব্রাইট মাইন্ডস রিডিউসিং ইনকুয়ালিটিস’। বাংলাদেশে টেলিনর ইয়ুথ ফোরামের ষষ্ঠ পর্বের নির্বাচনি পর্যায়ের আয়োজন করে গ্রামীণফোন। 

১ হাজার ৪০০ আবেদনের মধ্য থেকে বাছাই প্রক্রিয়ায় ৬০ আবেদনকারীকে ধারণা উপস্থাপনের জন্য মনোনীত করা হয়। মনোনীত ৬০ জন ৪ ও ৫ সেপ্টেম্বর জিপি হাউজে নিজেদের ধারণা উপস্থাপন করেন। সেখান থেকেই সাতজনকে টিওয়াইএফ গ্র্যান্ড ফিনালের জন্য নির্বাচন করা হয়। টিওয়াইএফে প্রতি বছর দুজন তরুণ বিজয়ী হিসেবে মনোনীত হন এবং টেলিনর ইয়ুথ ফোরামের বৈশ্বিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। এ বছরের বিজয়ী ধারণাগুলো হলো কৃষি নেট এবং প্রোজেক্ট সুরক্ষা। বিজয়ীরা নোবেল শান্তি পুরস্কার অনুষ্ঠান চলাকালীন নরওয়ের অসলোতে টিওয়াইএফ সম্মেলনে অংশ নেবেন।
টিওয়াইএফ গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বনামধন্য শিক্ষক, দেশের নানা স্টার্টআপের সফল উদ্যোক্তারা, সাংবাদিক, সরকারি কর্মকর্তা, ডিজিটাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। 
অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমাদের তরুণরা নতুন নতুন প্রযুক্তি নিয়ে সামাজিক সমস্যা সমাধানে কাজ করছে দেখে খুবই আনন্দ বোধ করছি। তারা বিশ্বের যে কোনো মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করার যোগ্যতা রাখে। তাদের এমন একটি বৈশ্বিক মঞ্চে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আমি গ্রামীণফোন ও টেলিনর গ্রুপকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’ 
গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী মাইকেল ফোলি বলেন, ‘টিওয়াইএফের শুরু থেকেই এটা আমার জন্য বছরের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর দিনগুলোর একটি। গত কয়েক বছরে এটি দেশের ভবিষ্যৎ নেতাদের জন্য বিশ্ব পরিবর্তনকারী ধারণা নিয়ে কাজ করার জন্য একটি সম্মানজনক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে উঠেছে।’ এদিন অন্যান্য অতিথির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নরওয়ের রাষ্ট্রদূত মিজ সিডসেল ব্লেকেন, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত মিজ উইনি এসট্রুপ পেটারসেন, পাকিস্তানের হাইকমিশনার রাফিউজ্জামান সিদ্দিকী এবং বিউপির উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. এমদাদ-উল-বারী, এনডিসি, পিএসসি, টিই।