আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ২৩-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

প্রকাশ্য হচ্ছে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য

নাগরিক সমাবেশ

রকীবুল হক
| প্রথম পাতা

মহানগর নাট্যমঞ্চে শনিবার জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নাগরিক সমাবেশে ড. কামাল, মির্জা ফখরুলসহ নেতারা - সংগৃহীত

এক মঞ্চে বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের নেতারা 
৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠনের আহ্বান
মাঠে নামার অঙ্গীকার

দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর অবশেষে প্রকাশ্য রূপ নিচ্ছে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য। আগামী নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন দাবিতে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন যুক্তফ্রন্ট, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া, বিএনপিসহ বেশ কিছু দলের নেতা ও বিশিষ্টজনরা। শনিবার রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তারা। এর মধ্যদিয়ে আগামীতে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে যুগপৎ আন্দোলন শুরু হবে।

সূত্র জানায়, নিরপেক্ষ একটি সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন দাবি আদায়ে আওয়ামী লীগ জোটের বাইরে থাকা সব দল ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বিএনপি। খালেদা জিয়ার ঘোষণা ও চাওয়া অনুযায়ী এ ঐক্য গঠনের অংশ হিসেবে ডা. বদরুদ্দৌজা চৌধুরীর (বি. চৌধুরী) নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট ও ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়াসহ বিভিন্ন দল ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন বিএনপি নেতারা। আন্দোলন, আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়েও নানা আলোচনা চলছে সংশ্লিষ্ট মহলে। এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে ছাড় দিয়ে হলেও এ ঐক্য প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।

এরই মধ্যে ১৫ সেপ্টেম্বর যুক্তফ্রন্ট ও গণফোরাম বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের ঘোষণা দেয়। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাঁচ দফা দাবি ও ৯টি লক্ষ্য নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলার জন্যই এ ঐক্যের ঘোষণা দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ দফা দাবি ও ৯টি লক্ষ্য বাস্তবায়নে অহিংস গণআন্দোলন গড়ে তোলার অঙ্গীকার করে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য ঘোষণা দেওয়া হয়। দাবি ও লক্ষ্য পড়ে শোনান নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। সেখানে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সব স্বাধীনতাবিরোধী দল ও ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী রাজনৈতিক দল, সামাজিক শক্তি, নাগরিক সমাজসহ জনগণকে সুসংগঠিত করে পাঁচ দফা দাবি ও ৯টি লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করার কথা বলা হয়েছে।

পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছেÑ তফসিল ঘোষণার আগেই বর্তমান সংসদ ভেঙে দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন; গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সব রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন; ভোটগ্রহণের এক মাস আগে থেকে পরের ১০ দিন পর্যন্ত নির্বাচনি এলাকায় বিচারিক ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী মোতায়েন করা ষ ১ম পৃষ্ঠার পর
ইত্যাদি। ড. কামাল হোসেন ও বি. চৌধুরীর নেতৃত্বে এ ঐক্য প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি। এটি বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যে রূপ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন বিএনপি নেতারা।
এদিকে শনিবার মহানগর নাট্যমঞ্চে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া আয়োজিত নাগরিক সমাবেশের মাধ্যমে অঘোষিতভাবে বৃহত্তর ঐক্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটালেন নেতারা। শিগগিরই এটি চূড়ান্ত রূপে, অথবা যুগপৎভাবে অভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে সব দল একসঙ্গে মাঠে নামবে বলে সংশ্লিষ্টরা আভাস দিয়েছেন। নাগরিক সমাবেশে যোগ দিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণতন্ত্রকামী সব দলকে ন্যূনতম দাবি আদায়ে আন্দোলনে নামার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধান দাবি এক। আসুন রাজপথে নেমে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করি।’ সমাবেশের প্রধান বক্তা মির্জা ফখরুল বলেন, মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত (বিএনপি চেয়ারপারসন) খালেদা জিয়া কারাগার থেকে খবর পাঠিয়েছেন, যে কোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, এ ঐক্যের প্রধান দাবি সরকারের পতন, নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দিয়ে নতুন নির্বাচন গঠন করতে হবে। ইভিএম দিয়ে নির্বাচন করা যাবে না। এ সরকারকে সরিয়ে দিতে না পারলে দেশের স্বাধীনতা থাকবে না বলেও ঘোষণা দেন তিনি।
সমাবেশে অংশ নেওয়া বিএনপি জোটের শরিক লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দলমত নির্বিশেষে জাতীয় ঐক্য গঠনের মাধ্যমে মাঠে নামা হবে। এ ঐক্য প্রয়াসের অংশ হিসেবে শনিবার নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে যুক্তফ্রন্ট, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া, বিএনপি জোটের বিভিন্ন দল অংশ নিয়েছে। তবে কৌশলগত কারণে হয়তো জামায়াত এতে অংশ নেয়নি। তিনি জানান, আগামীতে যুগপৎভাবে এসব দল একসঙ্গে অথবা ঐক্যবদ্ধ ব্যানারে আন্দোলন শুরু করবে। গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, জামায়াত ছাড়া সবাইকে এ সমাবেশে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। অনেকেই এসেছেন; ব্যক্তিগত কারণে কেউ কেউ হয়তো আসতে পারেননি। এটা অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয়। তবে সমাবেশে না আসার কারণ সম্পর্কে ২০ দলীয় জোটের একটি শরিক দলের মহাসচিব বলেন, ‘আমরাও জাতীয় ঐক্য চাই। তবে সেটা কীসের ভিত্তিতে হবে, সে বিষয়টি এখনও পরিষ্কার নয়। তাই আমরা জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সমাবেশে যাইনি।’
হাতে হাত রেখে ঐক্য ঘোষণা : মহানগর নাট্যমঞ্চে নাগরিক সমাবেশে হাতে হাত রেখে ঐক্যের ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সমাবেশে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। এর মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে ঐক্যবদ্ধভাবে চলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান ও খন্দকার ড. মোশাররফ হোসেন, গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন প্রমুখ। শনিবার বিকাল ৩টার দিকে সমাবেশস্থলে যান বিএনপির শীর্ষ চার নেতা। সেখানে যান গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনও। সমাবেশ শুরুর আগে ঐক্য প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত সমমনা রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে শুরু করেন। ‘কার্যকর গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে’ এ সমাবেশের আয়োজন করে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া। 
চলতি মাসে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠনের আহ্বান : আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠনের আহ্বান জানানো হয় নাগরিক সমাবেশে থেকে। সমাবেশের শেষ দিকে ঘোষণাপত্রে বলা হয়, বর্তমান নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। তফসিল ঘোষণার আগে বর্তমান দশম সংসদ ভেঙে দিতে হবে। নাগরিক সমাবেশের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন তেল-গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। ঘোষণাপত্রে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনগত ও ন্যায়সঙ্গত অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়। ঘোষণাপত্র পাঠ করার পর ড. কামাল হোসেন মঞ্চে সবার উদ্দেশে জানতে চানÑ এ ঘোষণাপত্রে কি সবাই একমত? পরে উপস্থিত সবাই দুই হাত তুলে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
ঘোষণাপত্রে গণদাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১ অক্টোবর থেকে সারা দেশে সভা সমাবেশ করার ঘোষণা দেওয়া হয়। এজন্য সারা দেশের প্রতিটি জেলা, থানা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে জাতীয় ঐক্যের কমিটি গঠন করার কথা বলা হয়। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধভাবে নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ গণজাগরণের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয় ঘোষণাপত্রে। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে মঞ্চে উপবিষ্ট জাতীয় নেতারা একসঙ্গে হাত তোলেন। এরপর নাগরিক সমাবেশ শেষ হয়।
ভোটগ্রহণের এক মাস আগে সেনা মোতায়েনের দাবি বি. চৌধুরীর : সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন আয়োজন করতে এক মাস আগে থেকেই সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারার সভাপতি অধ্যাপক ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী শান্তি মিশনে বিভিন্ন দেশে কাজ করছে। দেশের শান্তির জন্য কেন তারা কাজ করবে না? সেনাবাহিনীকে নির্বাচনের এক মাস আগেই নামাতে হবে। নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বি. চৌধুরী বলেন, ‘সরকারের কাছে প্রশ্নÑ কেন স্বাধীন দেশে দিনে-রাতে মা-বাবারা ঘুমাতে পারেন না? মা-বাবারা কেন ভাবেন, আমার ছেলেমেয়েটি স্কুল-কলেজ থেকে নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারবে কী পারবে না? পুলিশ-র‌্যাবের নির্যাতন কেন? তারা তো আমাদের সন্তান। এসবের জবাব দিতে হবে।’
সাবেক এ রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘কেন স্বাধীন দেশে সমাবেশে পুলিশের অনুমতি নিতে হবে? কেন পুলিশ-র‌্যাবকে কলঙ্কিত করেছেন। আর আপনাদের তোয়াক্কা করব না। স্বৈরাচার এরশাদ, ইয়াহিয়াকেও তোয়াক্কা করিনি।’ নির্বাচন আয়োজনে শর্ত দিয়ে প্রবীণ এ রাজনীতিবিদ বলেন, ‘জাতিসংঘ থেকে পরিদর্শক আনতে হবে। তারা নির্বাচন দেখবে। নির্বাচন শেষে তারা এক মাস এ দেশে থাকবে। কিন্তু আমরা জানি, তাদের আনতে পারবেন না। সে সাহস আপনাদের নেই। আপনি শান্তি-সুখের বাংলাদেশ গড়তে পারেননি।’ খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সরকারের পদক্ষেপের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমি যাকে মনোনীত করিনি, সে আমার চিকিৎসা করতে পারে না। খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা হলো। ওই রিপোর্ট কেন তার মনোনীত ডাক্তার দেখল না?’ সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের রুখে দাঁড়াবার সময় এখনই। প্রতিরোধের সময়, দাবি আদায়ের সময় এটাই। আমরা সব রাজবন্দির মুক্তি চাই, এ সরকারের পতন চাই। ভবিষ্যতে এ ধরনের সরকার যেন না আসে, সে জন্য আমাদের রক্ষাকবচ তৈরি করতে হবে। আমরা গণতান্ত্রিক সরকার চাই। শান্তি-সুখের বাংলাদেশ গড়তে চাই। এজন্য জাতীয় ঐক্য অপরিহার্য।’
জনগণ সুশাসন দেখতে চায়Ñ ড. কামাল : দেশের মানুষ সুশাসন নিশ্চিত করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। নাগরিক সমাবেশে সূচনা বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের জনগণের চলাফেরার স্বাধীনতা নেই। তাই তারা দিশেহারা। দেশের জনগণ সুশাসন দেখতে চায়, একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল সমাজ নিশ্চিত করতে চায়। কার্যকর গণতন্ত্র ও আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগের মাধ্যমে সুশাসন দেখতে চায়। ড. কামাল হোসেন বলেন, মানুষ পরিশ্রম করে উৎপাদন বাড়ায়, কিন্তু ন্যায্য দাম পায় না। এদিকে দেশের হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে। ড. কামাল বলেন, দেশের সংবিধানে বলা হয়েছেÑ জনগণ সব ক্ষমতার মালিক। কিন্তু আজ দেশের মানুষ ভোটাধিকার, মানবাধিকার, সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। এসব অধিকার পুনরুদ্ধার করতে হলে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমি আশা করব, আজকে যারা এ নাগরিক সমাজে এসেছেন; তারা জনগণের অধিকার নিয়ে কথা বলবেন এবং কাজ করবেন।
ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে নাগরিক সমাবেশে যুক্তফ্রন্টের শরিক তিন দল জাসদের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায় মাহমুদুর রহমান মান্না, বিকল্পধারার মহাসচিব আবদুল মান্নান, যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি. চৌধুরী, বিএনপির পক্ষে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা মঈনুল হোসেন বক্তব্য দেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা নুর হোসাইন কাসেমী, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) নেতা মোস্তফা জামাল হায়দার, জাগপা সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, এনপিপি সভাপতি ফরিদুজ্জামান ফরহাদ প্রমুখ।