আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ২৫-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

মালদ্বীপে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিরোধী জোটের জয়

পরাজয় মেনে নিলেন ইয়ামিন

আলোকিত ডেস্ক
| শেষ পাতা

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিরোধী জোটের নেতা ইব্রাহিম মোহামেদ সোলিহ জয়ী হওয়ার পর রাজপথে তার সমর্থকদের উল্লাস। ইনসেটে ইব্রাহিম মোহামেদ সোলিহ - আলজাজিরা

মালদ্বীপের ঐতিহাসিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন দেশটির বিরোধী জোটের নেতা ইব্রাহিম মোহামেদ সোলিহ। রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সোলিহ অনেকটা তাক লাগিয়েই জয়লাভ করেছেন। সোমবার নির্বাচনের প্রাথমিক ফল ঘোষণা করা হয়। আলজাজিরা জানায়, নির্বাচনের ফল অনুযায়ী পরাজয় মেনে নিয়েছেন মালদ্বীপের ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিন। সেইসঙ্গে তিনি ইব্রাহিম মোহামেদ সোলিহকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন। 
অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবেই একটি জয় পেলেন ইব্রাহিম মোহামেদ সোলিহ। পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা করেছিলেন, প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিন আবার ক্ষমতায় যেতে একটি পাতানো নির্বাচনের আয়োজন মালদ্বীপে প্রেসিডেন্ট 
ষ শেষ পৃষ্ঠার পর
করতে পারেন। কিন্তু সব হিসাবনিকাশ উল্টে দিয়ে বিরোধী দলের জয় হলো নির্বাচনে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সোলিহ তার প্রতিদ্বন্দ্বী আবদুল্লাহ ইয়ামিনের চেয়ে ১৬ শতাংশ ভোট বেশি পেয়েছেন। বিরোধীদলীয় সমর্থকরা সোলিহর মালদিভিয়ান ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এমডিপি) হলুদ রঙের পতাকা নিয়ে রাস্তায় নেচেগেয়ে উল্লাস করেন। বিজয়ী হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে সোলিহ বলেন, সুখের মুহূর্ত এটি; আশার মুহূর্ত। ব্যালট বাক্সে জনগণের ইচ্ছা প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি বলেন, তাদের বার্তা জোরালো ও পরিষ্কার। মালদ্বীপের জনগণ পরিবর্তন, শান্তি ও ন্যায়বিচার চায়। তিনি প্রেসিডেন্ট ইয়ামিনকে জনগণের ইচ্ছা মেনে নিয়ে সংবিধান অনুযায়ী নির্বিঘেœ ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরুর আহ্বান জানান।   
টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিন পরাজয় মেনে নেবেন কিনা তা নিয়ে উদ্বেগ ছিল। এক টেলিভিশন ভাষণে ইয়ামিন পরাজয় মেনে নিয়ে বলেন, মালদ্বীপের মানুষ যা চায়, সেভাবে তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমি ফল মেনে নিয়েছি। তিনি বলেন, আমি ইব্রাহিম মোহামেদ সোলিহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাকে অভিনন্দনও জানিয়েছি। নির্বাচনের ফল মেনে নেওয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তর স্বাভাবিক হবে বলেও মনে করেন ইয়ামিন। প্রসঙ্গত, আবদুল্লাহ ইয়ামিন ক্ষমতায় থাকাকালে চীনের সঙ্গে অপেক্ষাকৃত ভালো সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। সেতু নির্মাণসহ বিভিন্ন কর্মকা-ে চীন মালদ্বীপকে সহায়তা দিয়েছে। অপরদিকে বিরোধী জোটের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর প্রচ্ছন্ন সমর্থন ছিল।