আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ২৭-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

বললেন নাসিম

বিএনপি পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া করে

নিজস্ব প্রতিবেদক
| শেষ পাতা

বিএনপি পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া করে। নির্বাচন সামনে রেখে ঝগড়া বাধাতে চায়। আমরা শনিবার সমাবেশ ডেকেছি। তারাও সেদিন ডেকেছে। এটা কি উসকানিমূলক নয়? কোনো উসকানিতে কাজ হবে না। নির্বাচন সঠিক সময়েই হবে। সংবিধান অনুযায়ী হবে। নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন রয়েছে। আমরা সিলেটে মেয়র নির্বাচনে হেরেছি। রায় মেনে নিয়েছি। যে জিতবে সে টিকবে। খেলার মাঠের মতো। মনে রাখবেন, মেসি-নেইমারও গোল দিতে পারেনি। শেখ হাসিনা ঠিকই গোল করবেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বুধবার বাংলাদেশ বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক মালিক সমিতির দ্বিতীয় জাতীয় কনভেনশন-২০১৮ ও স্বাস্থ্য প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব ডা. মো. এহতেশামুল হক চৌধুরী, বাংলাদেশ বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ডা. এবিএম হারুন, বাংলাদেশ বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া প্রমুখ।
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, শুধু একটা সাইনবোর্ড টানিয়ে নোংরা পরিবেশে ক্লিনিক বানানো চলবে না। এর জন্য দশটি ক্লিনিকের বদনাম হয়। শুধু সরকার নয়, আপনারাও এগুলো প্রতিহত করবেন। ভুল চিকিৎসায় রোগী মারা গেলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় বলেন, দেখবেন, মানুষ মারা ডাক্তার যেন না হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ দেশেও ভালো চিকিৎসক রয়েছে। গাইবান্ধার জোড়া লাগানো শিশু ভালো করা হয়েছে, মাগুরায় বুলেটবিদ্ধ শিশুকে বাঁচিয়েছে চিকিৎসক। তাই অপচিকিৎসা বন্ধ করতে হবে। ক্লিনিকের মান বজায় রাখতে হবে। যে ক্লিনিকে মানুষ ভুল চিকিৎসা ও অবহেলায় মরে, সে এলাকায় ভোট কমে যাবে। লাইসেন্সবিহীন ক্লিনিক বন্ধ করতে হবে। এসব ক্লিনিক যেন গজাতে না পারে তা আপনারা দেখবেন।
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, এখন থেকে তিন বছর পরপর লাইসেন্স নবায়ন করতে হবে। ফি বৃদ্ধির বিষয়টি স্থগিত রাখা হয়েছে। ৬ হাজার চিকিৎসক দিয়েছি। আরও ৫ হাজার দেব। ১০ হাজার নার্স দিয়েছি। সরকার আপনাদের পাশেই। আলোচনা সাপেক্ষে আপনাদের সব দাবিই মেনে নেওয়া হবে।
মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন বলেন, এ সরকার বিদেশ থেকে যত পুরস্কার পেয়েছে তার বেশিরভাগ স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে। তাই চিকিৎসায় ভুল করা যাবে না।
প্রদর্শনী ও অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দ মুদ্দাচ্ছর আলি। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক এমএ মালিক, অধ্যাপক সাহারা খাতুন প্রমুখ।
প্রদর্শনীতে চিকিৎসাবিষয়ক সরঞ্জাম নিয়ে বেশ কয়েকটি স্টল বসে।