আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ২৭-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

মালটায় চওড়া মুখের হাসি

শখে নাছরি উদ্দনি, বনোপোল
| সুসংবাদ প্রতিদিন

যশোররে র্শাশা উপজলোয় জনপ্রয়ি হয়ে উঠছে মালটা চাষ। তনি বছর আগে র্শাশা উপজলো কৃষি অফসিরে পরার্মশে উলাশী ইউনয়িনরে চাষি জামাল উদ্দীন পকিুল ও হায়দার আলী গগন মালটার চাষ শুরু করনে। এ বছর তাদরে মালটা গাছে ফল ধরছে।ে ফলন ভালো হওয়ায় তাদরে মুখে হাসি ফুটছে।ে পকিুল ও গগনরে সফলতায় এবং কম খরচে লাভ বশেি হওয়ায় মালটা চাষে আগ্রহ বাড়ছে র্শাশার চাষদিরে। 

জানা যায়, ২০১৫ সালে র্শাশা উপজলো কৃষি অফসি থকেে ৯০টি মালটার চারা সংগ্রহ করে জামাল উদ্দনি পকিুল ২ বঘিা জমতিে রোপণ করনে। পরে তার ভাই পটুয়াখালী থকেে ২০০টি মালটার চারা এনে রোপণ করনে। এখন তাদরে জমতিে মোট মালটার গাছ রয়ছেে ৩০০ট।ি প্রতটিি চারা তারা ১৫০ টাকা দরে ক্রয় করনে। তনি বছর আগে রোপণ করা মালটা গাছে এ বছর প্রথমবাররে মতো ফল ধরছে।ে প্রতটিি গাছে ৪০ থকেে ৫০টি ফল পাওয়া যাব।ে পকিুল জানান, মালটা গাছে ফল আসতে শুরু করে জুন মাসে এবং নভম্বের মাস র্পযন্ত এ গাছ ফল দয়িে থাক।ে তনিি আরও জানান, মালটা গাছ রোপণ করার দুই বছর পর প্রাথমিকভাবে ফল আসতে শুরু করে। এক বিঘা জমিতে মালটা চাষ করতে খরচ হয় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা। দুই বছরে মালটা বিক্রি হবে লাখ টাকার অধিক। অধিক লাভ হওয়াতে স্থানীয় চাষিরা আগ্রহী হয়ে উঠছেন মালটা চাষে। অপর মালটা চাষি হায়দার আলী গগন জানান, আমি পটুয়াখালী থেকে ২০০টি মালটার চারা এনে রোপণ করি। যে পরিমাণ ফল ধরেছে যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে তাহলে অধিক পরিমাণ লাভবান হতে পারব। শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিরক কুমার সরকার জানান, মালটা একটি দেশীয় ফল। শার্শার মাটি ও আবহাওয়া মালটা চাষের জন্য বেশ উপযোগী। শার্শা উপজেলায় এবার ২০ বিঘা জমিতে মালটার চাষ হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে মালটার চারা ও সার প্রদান করা হয়েছে। চাষিরা ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচে মালটা চাষ করে অধিক লাভবান হতে পারবেন।