আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ২৮-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

লাফালাফির পরিণাম শুভ হবে না : কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
| খবর
২৯ সেপ্টেম্বর বিএনপির জনসভা নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ১০ বছরে ১০ মিনিটও রাস্তায় নামতে পারেননি। এখন আপনি (মির্জা ফখরুল ইসলাম) হঠাৎ করে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে খুশি করতে ব্যর্থতা ঢাকার জন্য লাফালাফি করছেন। এত লাফালাফির পরিণাম শুভ হবে না। হুমকি-ধমকি দিয়ে আন্দোলন করবেন, আমরা ঘরে বসে ডুগডুগি বাজাব, তা হবে না। বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের সম্পাদকম-লীর সঙ্গে দলের সহযোগী সংগঠনের সভা শেষে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিএনপির সভা কবে হবে? এটা তো এখনও ঠিক হয়নি। বিএনপি জোর করে ২৯ তারিখ সভা করবে? কেন এ জেদাজেদি? অনুমোদন ছাড়া আপনি সভা করবেন? এত লাফালাফি কেন? কেন্দ্রীয় ১৪ দলীয় জোটের নাগরিক সমাবেশ সম্পর্কে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৪ দল পেশাজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে, নিজেরা বসেছে। এখন তারা মহানগর নাট্যমঞ্চে আরও একটু বড় পরিসরে নেতাকর্মীদের সমাবেশ করবে। এটা বিএনপির সঙ্গে কোনো পাল্টাপাল্টি নয়। এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমাদের মধ্যে কোনো উদ্বেগ নেই, তবে সতর্কতা আছে। আমরা সতর্ক আছি। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে অশুভ শক্তির পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছিÑ এমন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আন্দোলনে ব্যর্থ বিএনপিসহ তাদের সাম্প্রদায়িক দোসররা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আন্দোলনের নামে নাশকতা ও সহিংসতার ছক আঁটছে। সহিংসতার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। এটাই আমাদের ম্যাসেজ, ইনফরমেশন। তারা যেভাবে হাঁকডাক, হুমকি-ধমকি শুরু করেছে, সেভাবে দেশে অস্থিতিশীল সৃষ্টির পাঁয়তারা হচ্ছে বলে আমরা মনে করছি। তিনি বলেন, তারা আজকে জাতীয় ঐক্যের কথা বলছে। কিছুদিন আগে আইআরআইয়ের গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, আমাদের দলীয় সভাপতির জনপ্রিয়তা ৬৬ শতাংশ ও দলের জনপ্রিয়তা ৬৪ শতাংশ। এর আগে গতকাল সকালে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ওবায়দুল কাদের। বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কয়েকজনের কথা শুনেছি। এর মাধ্যমে সবার আবেগ, সেন্টিমেন্ট আমরা জেনেছি। জনসমর্থনের দিক থেকে বরগুনা আমাদের দলের ঘাঁটি। সেখানে আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য সভাটি ডেকেছিলাম। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আখতার, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওছার প্রমুখ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।