আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ২৯-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

বাকৃবিতে কর্মশালায় বক্তারা

পাঙ্গাস ও তেলাপিয়া মাছ উৎপাদনে নীরব বিপ্লব সাধিত হয়েছে

বাকৃবি প্রতিনিধি
| খবর
মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম। উৎপাদনে বিশ্বে অবস্থান করে নিতে পারলেও মাছ রপ্তানিতে অনেক পিছিয়ে আমরা। দেশে পাঙ্গাস ও তেলাপিয়া উৎপাদনে নীরব বিপ্লব সাধিত হয়েছে। এই মাছ দুটি উৎপাদন এবং চাষের সঙ্গে সম্পৃক্ত মৎস্যচাষির সংখ্যা বেশি। তবে এসব মাছের ত্রুটিপূর্ণ চাষ পদ্ধতি ও নিরাপদ মাছের অপ্রাপ্ততা মাছ রপ্তানির মূল প্রতিবন্ধকতা। নতুন মাছ চাষ পদ্ধতি ও উন্নয়ন শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক। বৃহস্পতিবার সকালে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদীয় সম্মেলন কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক বলেন, রপ্তানিবাজার সৃষ্টি না হওয়ায় এসব মাছের দাম পাচ্ছে না খামারিরা। এতে লোকসান গুনতে হচ্ছে খামারিদের। গুণগত মান ও স্বীকৃতির অভাবে তাই এখনও আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। এছাড়াও পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়িয়ে মাছের উৎপাদনে আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব। অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. গিয়াসউদ্দিন আহমদ। অনুষ্ঠানে তারাকান্দা, জামালপুর ও মুক্তাগাছা উপজেলার ৩০ জন পাঙ্গাস ও তেলাপিয়া খামারি ও হ্যাচারি মালিক উপস্থিত ছিলেন। চলমান প্রজেক্টের অধীনে ৩১৬ জন খামারির সমস্যা সমাধান নিয়ে একটি অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে খামারিরা সহজেই উপকৃত হতে পারবে। অনুষ্ঠানে মাছের উৎপাদন বাড়ানো ও গুণগতমান বিষয়ে আলোচনা করেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক, পিএইচডি গবেষক নিয়াজ আল হাসান ও মো. মেহেদী হাসান। অ্যাপস নিয়ে আলোচনা করেন সৈয়দ আরিফুজ্জামান।