আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৩০-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

ইমরান আসায় পাকিস্তান আরও মারমুখী : বিএসএফ

আলোকিত ডেস্ক
| আন্তর্জাতিক

সাবেক ক্রিকেটার ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে পাকিস্তান আরও বেশি মারমুখী হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর (বিএসএফ) প্রধান জেনারেল কেকে শর্মা। সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নিহত বিএসএফ জওয়ান নরেন্দ্র সিং প্রসঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে শুক্রবার তিনি এ মন্তব্য করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া ডটকম এ খবর জানিয়েছে।
জেনারেল শর্মা বলেন, ‘সীমান্তে কোনো পরিবর্তন আসেনি। আমরা আন্তর্জাতিক সীমান্তে এখন ব্যাট অ্যাকশন (এক ধরনের অস্ত্রের ব্যবহার), যা এর আগে কোনোদিন ঘটেনি। এ অস্ত্রের ব্যবহার সাধারণত লাইন অব কন্ট্রোলে (ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত) হয়ে থাকে। অতীতের সঙ্গে তুলনা করতে গেলে এটা বলতে হয়, অপরদিক (পাকিস্তান) থেকে আমরা বেশি মারমুখী মনোভাব লক্ষ করছি।’ ‘তবে ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেজন্য বিএসএফ সাবধানতা অবলম্বন করছে’, যোগ করেন শর্মা।
বিএসএফপ্রধান বলেন, ‘আমরা যখনই তাদের সঙ্গে এ ধরনের কোনো কিছু করতে যায়, অন্য পক্ষ (পাকিস্তান) এতে বাধা দেয়, আকাশে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। তবে আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলতে অভ্যস্ত। তারা চাইলে আমরা আলোচনা করতে পারি। তবে যখনই তারা আমাদের লক্ষ্য করে আক্রমণ করে, তখন এর জবাব দেওয়া আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের কৌশলগত কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’
এ সময় ভারতে সন্ত্রাসীদের ঠেলে দেওয়া পাকিস্তানের নীতি বলে মন্তব্য করেন জেনারেল শর্মা। এর আগে পাকিস্তানে আবারও সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালাতে পারে বলে মন্তব্য করেন ভারতের সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত। তার মতে, ‘সন্ত্রাসবাদ’ রুখতে আরও একবার সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রয়োজন। পাকিস্তান যতদিন না সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেবে, ততদিন সীমান্তে শান্তি ফিরবে না। ভারতের দাবি, পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকেই ইমরান খান শান্তির কথা বললেও প্রতিনিয়তই সীমান্তে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করছে পাক-রেঞ্জার্স। এরই প্রতিবাদে পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা বাতিল করেছে ভারত।