আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৩০-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

প্লাস্টিক রাবার ও কাঠে রপ্তানি আয় কমেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
| অর্থ-বাণিজ্য

চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে প্লাস্টিক পণ্য, রাবার, কাঠ ও কাঠের পণ্য রপ্তানিতে আয় কমেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, উল্লিখিত খাতগুলোয় লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কম রপ্তানি আয় হয়েছে।
দেখা গেছে, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট সময়ে প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ কোটি ৬৮ লাখ ডলার। বিপরীতে রপ্তানি হয়েছে ১ কোটি ৬৪ লাখ ডলার। ফলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্লাস্টিক পণ্যের রপ্তানি কমেছে ১ দশমিক ৪২ শতাংশ। পুরো অর্থবছরের জন্য প্লাস্টিক পণ্যের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১০ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছিল ৯ কোটি ৮৪ লাখ ডলার। তবে আগের অর্থবছরের একই সময়ে প্লাস্টিক পণ্যের রপ্তানি হয়েছিল ১ কোটি ৬৭ লাখ ডলার। ফলে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে রপ্তানি কমেছে দশমকি ৬৬ শতাংশ।
প্লাস্টিক খাতের মধ্যে থাকা পিভিসি ব্যাগ রপ্তানির পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এটিও রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করতে পারেনি। চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট সময়ে পিভিসি ব্যাগ রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪৮ লাখ ডলার। বিপরীতে রপ্তানি হয়েছে ৪৪ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ কম। পুরো অর্থবছরে উল্লিখিত পণ্যটির রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছিল ২ কোটি ৮৭ লাখ ডলার।
প্লাস্টিক বর্জ্য রপ্তানির ক্ষেত্রেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। জুলাই ও আগস্ট সময়ে প্লাস্টিক বর্জ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২৩ লাখ ডলার। বিপরীতে রপ্তানি হয়েছে ১৪ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৩৭ দশমিক ২৯ শতাংশ কম। প্লাস্টিক বর্জ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে পুরো অর্থবছরের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছিল ১ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। প্লাস্টিক খাতের অন্যান্য পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। জুলাই ও আগস্ট মাসে এ খাতের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৯৬ লাখ ডলার। বিপরীতে রপ্তানি হয়েছে ১ কোটি ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১০ দশমিক ৯১ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ৬৫ লাখ ডলার। ফলে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে প্লাস্টিকের অন্যান্য দ্রব্য রপ্তানি বেড়েছে ৬৩ দশমিক ৯০ শতাংশ।
রাবার রপ্তানির ক্ষেত্রে চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে আগস্ট সময়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। এ সময়ে রাবার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪৩ লাখ ডলার। বিপরীতে রপ্তানি হয়েছে ২৬ লাখ ডলার। ফলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রপ্তানি কমেছে ৪০ দশমিক ৩২ শতাংশ। পুরো অর্থবছরে রাবার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ কোটি ৬০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছিল ২ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।
কাঠ ও কাঠের পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে একইভাবে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। চলতি অর্থবছরে উল্লিখিত পণ্যের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫০ লাখ ডলার। আর জুলাই ও আগস্ট মাসে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৮ লাখ ডলার। বিপরীতে রপ্তানি হয়েছে ৩ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৫৯ দশমিক ৫২ শতাংশ কম।