আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৩০-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

অথঃ ‘উইপোকা’ তত্ত্ব!

তারেক শামসুর রেহমান
| সম্পাদকীয়

আসামের নাগরিকত্ব তালিকা নিয়ে যে বিতর্কের জন্ম হয়েছে, তা শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা এই মুহূর্তে বলা মুশকিল। তবে সেখানে বাঙালি মুসলমানরা যে এক ধরনের আতঙ্কের মাঝে আছেন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যদিও ভারতের সুপ্রিমকোর্ট বলেছেন, এখনই এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নয়, তারপরও কথা থেকে যায়

ভারতের অত্যন্ত ক্ষমতাবান রাজনীতিবিদ ও বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ আসামে বসবাসরত বাঙালি মুসলমানদের ‘উইপোকার’ সঙ্গে তুলনা করেছেন। সম্প্রতি রাজস্থানের এক সমাবেশে তিনি বলেছেন, “আসামে অবৈধ অভিবাসীরা ‘উইপোকা’, এদের শিগগিরই ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।” তার ভাষায়Ñ এই ‘অবৈধ অভিবাসীরা’ বাংলাদেশি! তার এ মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। এর ইউরোপীয় শাখার পরিচালক এন্ড্রু স্ট্রোহলেইন বলেছেন, ‘অমিত শাহর মন্তব্য গণহত্যার প্রস্তুতিকে স্মরণ করিয়ে দেয়।’ (আলজাজিরা, শীর্ষ নিউজ, ২৬ সেপ্টেম্বর)। বলা ভালো, চলতি বছরের ৩০ জুলাই আসামের রাজধানী গৌহাটি থেকে খসড়া নাগরিক নিবন্ধন তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে নিবন্ধের জন্য আবেদন করা ৩ কোটি ২৯ লাখ মানুষের মধ্যে ৪০ লাখ ৭ হাজার ৭০৮ জন বাদ পড়েন, যাদের একটা বড় অংশ মুসলমান। এনআরসি এই তালিকা প্রকাশ করে।
সূক্ষ্মভাবে দেখলে দেখা যাবে, এনআরসির বিষয়টি পুরোপুরি রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন। ২০১৯ সালে ভারতে জাতীয় নির্বাচন। বিজেপি সরকার এটাকে ইস্যু করতে চায়। ভুলে গেলে চলবে না, আসামসহ ভারতের ‘সাতবোন’ রাজ্যগুলোর প্রায় সব ক’টিতে বিজেপি ও বিজেপি মিত্ররা ক্ষমতায়। অতি সম্প্রতি সেখানে যে বিধানসভার নির্বাচন হয়ে গেল, তার মধ্য দিয়ে বিজেপি উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তার অবস্থান অনেক শক্তিশালী করেছে। আসামে বিজেপির নেতৃত্বাধীন একটি সরকার রয়েছে।
আসামের নাগরিকত্ব তালিকা নিয়ে যে বিতর্কের জন্ম হয়েছে, তা শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা এই মুহূর্তে বলা মুশকিল। তবে সেখানে বাঙালি মুসলমানরা যে এক ধরনের আতঙ্কের মাঝে আছেন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যদিও ভারতের সুপ্রিমকোর্ট বলেছেন, এখনই এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নয়, তারপরও কথা থেকে যায়। আগামী লোকসভা এবং পশ্চিম বাংলার বিধানসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি এ ইস্যু তুলে রাজনৈতিক ফায়দা আদায় করে নিতে চায়। এতে করে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এখন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সময় পার করছে। তথাকথিত ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ ইস্যুতে বাংলাদেশে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে এবং তাতে করে লাভবান হবে সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলো। পাঠকদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় দুই দেশের সম্পর্ক ভালো এবং একটি উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার (বিবিআইএন) আলোকে দেশ দুটি নতুন এক সম্পর্কে উন্নীত হয়েছে। এমনি একসময় অমিত শাহরা মুসলমানদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে।
সমসাময়িক বিশ্ব রাজনীতিতে উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণা নতুন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণার ব্যাপক বিস্তার ঘটে এবং পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার জন্ম হয়। বলা হয়, আঞ্চলিক সহযোগিতা হচ্ছে নয়া বিশ্বব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুদ্ধের ভয়াবহতা যেখানে কমে এসেছিল, সেখানে নিজেদের মধ্যে সহযোগিতার মাধ্যমে অঞ্চল ভিত্তিতে দেশগুলো নিজেদের উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বাণিজ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে নিজেদের মাঝে দেশগুলো এমন এক সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল, যা কিনা নয়া বিশ্বব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছিল। একুশ শতকে এসে সেই ধারণায় কিছুটা পরিবর্তন আসে। জন্ম হয় উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এ উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণাটি নতুন; কিন্তু এ উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা বাংলাদেশের জন্য বিপুল এক সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছে। উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা মূলত গড়ে ওঠে পাশাপাশি দুটি বা তিনটি রাষ্ট্রের কিছু অঞ্চলের সঙ্গে। সেখানে পুরো রাষ্ট্রটি জড়িত থাকে না, জড়িত থাকে কিছু অঞ্চল। আর অঞ্চল ভিত্তিতেই গড়ে ওঠে উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা। 
বাংলাদেশ সার্ক কিংবা বিমসটেকের মতো আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থায় জড়িত থাকলেও বিবিআইএন কিংবা বিসিআইএমের মতো উপ-আঞ্চলিক সংস্থায় নিজেকে জড়িত করেছে। বিবিআইএন (ইইওঘ) উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার কথা প্রথম জানা যায় ২০১৫ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের সময়। ওই সময় দুই দেশের মধ্যে যে যৌথ ঘোষণাপত্রটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তার ৪১নং ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, উভয় প্রধানমন্ত্রী বিবিআইএনের আওতায় বিদ্যুৎ, পানি সম্পদ, বাণিজ্য, ট্রানজিট ও কানেকটিভিটি খাতে সহযোগিতার সুযোগ কাজে লাগাতে সম্মত হয়েছেন। এ বিবিআইএন হচ্ছে ভুটান, বাংলাদেশ, ভারত (সাতবোন রাজ্য) ও নেপালকে নিয়ে একটি উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা। এ উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার আলোকে এরই মধ্যে ঢাকা-শিলং-গোহাটি এবং কলকাতা-ঢাকা-আগরতলা বাস সার্ভিস চালু হয়েছে। চালু হয়েছে খুলনা-কলকাতা বাস সার্ভিস। যশোর-কলকাতা বাস সার্ভিসও চালু হবে। কলকাতা-খুলনার মধ্যে দ্বিতীয় মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনও এরই মধ্যে চালু হয়েছে। রামগড়-সাবরুম সেতু নির্মাণ করছে ভারত। ফলে আগরতলার পণ্য পরিবহনে এখন এই সেতু ব্যবহার করে মাত্র ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করা যাবে। এর সবই হচ্ছে উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার আলোকে। ১৫ জুন (২০১৫) বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল আর ভুটানের মধ্যে যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলে একটি চুক্তি হয়েছিল। এই চুক্তির অধীনেও চারটি দেশের মাঝে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক-লরি ও ব্যক্তিগত ব্যবহারের গাড়ি চলাচল করতে পারবে। প্রধানমন্ত্রীর ভুটান সফরের সময় ভুটান এতে রাজি হয়েছিল। তবে ভুটানের সংসদ আপত্তি তুলেছিল। সংসদে তা অনুমোদিতও হয়নি। 
প্রসঙ্গক্রমেই আমরা প্রস্তাবিত বিসিআইএম জোট নিয়েও আলোচনা করতে পারি। বিসিআইএম (ইঈওগ) হচ্ছে অপর একটি উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা। এ জোটে আছে বাংলাদেশ, চীন (ইউনান প্রদেশ), ভারত (সাতবোন রাজ্যগুলো) ও মিয়ানমার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৪ সালে তার চীন সফরের সময় এ বিসিআইএম করিডোরের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। এটাকে একসময় ‘কুনমিং উদ্যোগ’ বলা হতো। চীন ২০০৩ সালে এ ধরনের একটি সহযোগিতার কথা প্রথম বলেছিল, যা পরবর্তী সময় বিসিআইএম নামে আত্মপ্রকাশ করে। এ জোটটি কার্যকর হলে কুনমিং (চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী) থেকে সড়কপথে বাংলাদেশ ও ভারতে আসা যাবে এবং পণ্য আনা-নেওয়া করা যাবে। ফলে চীনা পণ্যের দাম কমে যাবে। দ্বিতীয়ত, ২০২০ সালে আসিয়ানে সৃষ্টি হচ্ছে মুক্তবাজার, যার ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের পণ্য প্রবেশাধিকারের পথ সহজ হবে। বিসিআইএমের আওতায় কুনমিং থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সড়ক হবে। তিনটি রুটে ইউনান প্রদেশের সঙ্গে বাংলাদেশ ও ভারত সংযুক্ত হবে। বিসিআইএম জোটের সম্ভাবনা বিশাল। কারণ এ চারটি দেশের রয়েছে বিপুল তেল ও গ্যাসসম্পদ (মিয়ানমার), রয়েছে শক্তিশালী অর্থনীতি (চীন ও ভারত), রয়েছে শিল্প (চীন), শক্তিশালী সার্ভিস সেক্টর, রয়েছে বিশাল অব্যবহৃত জমি (মিয়ানমার) ও সমুদ্রবন্দর (বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার)। ফলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক দৃশ্যপট বদলে যেতে পারে আগামীতে, যদি বিসিআইএম জোটকে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। আঞ্চলিক অর্থনীতি তো বটেই; বিশ্ব অর্থনীতিকে অনেকাংশে প্রভাবিত করতে পারে এ জোট। বলাই বাহুল্য, এ চারটি দেশের সম্মিলিত জিডিপির পরিমাণ ৫ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার, যা বিশ্ব জিডিপির ১০ ভাগ। ১৯৯১ সালে বিসিআইএমের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল যেখানে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার, সেখানে ২০১১ সালে তা এসে দাঁড়ায় ৯০ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার। ১ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার এলাকা আর ২৮৮ কোটি মানুষের বাস এ বিসিআইএম জোটভুক্ত দেশে। পূর্বে কুনমিং আর পশ্চিমে কলকাতা। মাঝখানে মান্দালয় ও ঢাকা। ভারত এ জোটের ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছিল এ কারণে যে, এতে করে আগামী দিনে ভারতের আসিয়ানের সদস্যপদ পাওয়া সহজ হয় এবং তার পণ্য নিয়ে শুল্কমুক্ত সুবিধা গ্রহণ করে আসিয়ানের বাজারে প্রবেশ করতে পারে। আমরাও এ সুযোগটি নিতে পারি। 
কানেকটিভিটি এ যুগের চাহিদা। বিবিআইএন জোট যদি সফল হয়, তাহলে জোটভুক্ত চারটি দেশের অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। যৌথ উদ্যোগে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের অর্থনীতিকে বদলে দিতে পারে। সিলেট হয়ে উঠতে পারে অন্যতম একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্র। একই কথা প্রযোজ্য বিসিআইএমের ক্ষেত্রেও। সড়কপথ যদি প্রশস্ত হয়, যদি শুল্কমুক্ত সুবিধা নিশ্চিত করা যায়, তাহলে মিয়ানমারের জ্বালানি সম্পদ তথা কৃষি ও মৎস্যসম্পদ ব্যবহার করে তা বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে আমাদের অর্থনীতিতে। তাই কানেকটিভিটি ব্যবহার করতে হবে আমাদের সবার স্বার্থে। আমরা দেখতে চাই আমাদের স্বার্থ। কানেকটিভিটি ব্যবহার করে কোনো একটি দেশ লাভবান হবে, তা হতে পারে না। আমরাও চাই কানেকটিভিটি ব্যবহার করে আমাদের পণ্য নেপাল ও ভুটান যাক। সড়কপথে আমরা যেতে চাই কুনমিংয়ে। কিন্তু এজন্য যা দরকার, তা হচ্ছে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলা। পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থা যদি গড়ে ওঠে, তাহলে এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে একটি বড় পরিবর্তন আসবে, এটা বলার আর অপেক্ষা রাখে না। 
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ভারতের সদিচ্ছা নিয়ে। মোদির খুব ঘনিষ্ঠ অমিত শাহ। এখন তিনি বাঙালি মুসলমানদের, যারা আসামে বংশ পরম্পরায় বাস করে আসছেন, যারা সেখানে ভোট দেন, তাদের পোকামাকড়ের সঙ্গে তুলনা করে প্রকারান্তরে তিনি উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতাকে একটি প্রশ্নের মুখে ফেলে দিলেন। মোদির ঢাকা সফরের সময় তার বক্তব্য প্রশংসিত হয়েছিল। কিন্তু এখন অমিত শাহরা উল্টো কথা বলছেন। ফলে বিজেপি সরকারের সদিচ্ছা প্রশ্নের মুখে থাকবেই। বাংলাদেশ ভারতকে যথেষ্ট দিয়েছে। সর্বশেষ ক্যাবিনেট মিটিংয়ে বাংলাদেশ ভারতকে চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে। এটা ভারতের জন্য বড় পাওয়া। কিন্তু যেখানে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নত হচ্ছে, সেখানে বাঙালি মুসলমানদের বাংলাদেশি হিসেবে চিহ্নিত করা, তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার ঘোষণা কোনো ভালো লক্ষণ নয়। এরই মধ্যে আসামের বাদ পড়া নাগরিকরা ফের নিবন্ধন করার সুযোগ পাচ্ছেন। আমরা আশা করব এ তালিকায় বাদ পড়া ৪০ লাখ মুসলমানের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা হবে। এ ঘটনা দুই দেশের সম্পর্কে কোনো অন্তরায় সৃষ্টি করবে না, আমরা এটা প্রত্যাশা করি। তথাকথিত ‘উইপোকা’ তত্ত্ব যতবেশি কম ব্যবহার করা হবে, ততই মঙ্গল। হ

ড. তারেক শামসুর রেহমান
প্রফেসর, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়