আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৩০-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

অবৈধ সম্পদের অভিযোগ

ডিআইজি মিজানকে দুদকে তলব

নিজস্ব প্রতিবেদক
| নগর মহানগর

পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান আজ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) হাজির হতে পারেন। অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে তলব করেন দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী। একই সময় তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রতœাকেও হাজির হতে বলা হয়েছে। এ ব্যাপারে ১৯ সেপ্টেম্বর পৃথকভাবে নোটিশ জারি করে দুদক। নোটিশ অনুযায়ী ডিআইজি মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রীকে সকাল ৯টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে। এর আগে ৩ মে একই অভিযোগে ডিআইজিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। ওই সময় তিনি ট্যাক্স ফাইল ও কিছু কাগজপত্র দুদকে জমা দেন। দুদক আরও কিছু কাগজ চাইলে তিনি সময় চান। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তার পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দুদক। সে অনুযায়ী তার স্ত্রীকেও তলব করা হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, ডিআইজি মিজানের নামে-বেনামে শত কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। এ জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি এক আদেশে দুদকের উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারীকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেয় কমিশন। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ডিআইজি মিজানের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লেনদেনের তথ্য ও তার নামে অন্যান্য স্থাবর-অস্থাবর তথ্য চেয়ে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে কিছু কিছু তথ্য আসার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিআইজি মিজানকে তলব করা হয়।
অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে কয়েক বছর আগেও ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করে দুদক। কিন্তু সেই সময় তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়ায় তাকে অব্যাহতি দিয়ে অভিযোগটি নথিভুক্ত করা হয়েছিল। চলতি বছর দুদকে আসা অভিযোগপত্রের সঙ্গে বেশকিছু তথ্য উপাত্ত থাকায় আবারও অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। এবার তার চাকরি জীবনের যাবতীয় আয়-ব্যয়, এনবিআরে দেওয়া আয়-ব্যয় ও সম্পদের তথ্য নারীঘটিত বিষয় টাকা খরচে আয়ের উৎস, বিদেশে পরিবার-পরিজনের জন্য পাঠানো টাকার উৎসসহ সামগ্রিক বিষয়াদি অনুসন্ধানের আওতায় আনা হচ্ছে।
মিজানুর রহমান ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিআইজি পদমর্যাদা) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত জানুয়ারিতে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।