আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ৩০-০৯-২০১৮ তারিখে পত্রিকা

ফাইভজিতে কী কী সুবিধা

আলোকিত ডেস্ক
| শেষ পাতা

নেট দুনিয়া জেট গতিতে ছুটছে। টুজি, থ্রিজির পর ফোরজি এসেছে। এবার ফাইভজি আনার পরিকল্পনাও শুরু হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফাইভজি এলে নেট দুনিয়ায় বিপ্লব ঘটে যাবে। ফাইভজি এলে কী হতে পারে একবার দেখে নিন। ২০১৯-এ আসতে পারে ফাইভজি স্মার্টফোন। ফোরজির থেকে ১০০ গুণ স্পিড বেশি হবে ফাইভজির। এ কানেক্টিভিটির দৌলতে ‘বাফারিং’ শব্দটাই হয়তো মুছে যাবে! চোখের পলকে এইচডি মুভি ডাউনলোড করা যাবে।
দূষণহীন নেটওয়ার্ক হবে ফাইভজি। ফোরজির তুলনায় এ নেটওয়ার্ক কম পাওয়ার কনজিউম করে। ফলে ফোনের ব্যাটারির আয়ু বাড়বে। চিকিৎসা ক্ষেত্রেও আমূল পরিবর্তন আসবে। ফাইভজি নেটওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে যে কোনো জায়গায় যে কোনো সময় চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া যাবে। দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে অস্ত্রোপচারের মতো বিষয়। ফাইভজি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে নিমেষেই ড্রোনের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া যাবে। শহরে দূষণের হালহকিকত স্মার্টফোনে এক ক্লিকেই পাওয়া সম্ভব হবে। দুর্গম জায়গা, প্রত্যন্ত অঞ্চল এমনকি খনির নিচেও কর্মীরা নির্ঝঞ্ঝাটে গোটা দুনিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারবেন এ ফাইভজি নেটওয়ার্ক এলে। ফাইভজি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রিমোট পরিচালিত যানবাহন ও মেশিনকেও নির্ঝঞ্ঝাটে চালানো সম্ভব হবে। টুজি, থ্রিজি ও ফোরজিতে যা অকল্পনীয়, ফাইভজিতে অনায়াসে তা সম্ভব। ওয়েবসাইট