আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ২৪-০৪-২০১৯ তারিখে পত্রিকা

সন্ত্রাস নির্মূলে সরকারের সাফল্য সত্ত্বেও সতর্ক থাকতে হবে

ড. এসএম জাহাঙ্গীর আলম
| সম্পাদকীয়

শ্রীলঙ্কায় এ ঘটনা নতুন কিছু নয়, এর আগেও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘরে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। মার্চে ঘটল নিউজিল্যান্ডে সন্ত্রাসী হামলা। মসজিদে এ হামলায় অনেক হতাহত হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জঙ্গি ও সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। বাংলাদেশেও এমন ঘটনা ঘটেছে। তবে বলতে গেলে বাংলাদেশ এখন জঙ্গি ও সন্ত্রাসমুক্ত

রোববার (২১ এপ্রিল) শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ সিরিজ বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা তিন শতাধিক। আহত আরও অনেক। হতাহতের মধ্যে বাংলাদেশিও আছেন। নিহত হয়েছে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ সেলিমের নাতি, আর আহত হয়েছেন তার জামাতা। শ্রীলঙ্কায় এ ঘটনা নতুন কিছু নয়, এর আগেও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘরে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। মার্চে ঘটল নিউজিল্যান্ডে সন্ত্রাসী হামলা। মসজিদে এ হামলায় অনেক হতাহত হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জঙ্গি ও সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। বাংলাদেশেও এমন ঘটনা ঘটেছে। তবে বলতে গেলে বাংলাদেশ এখন জঙ্গি ও সন্ত্রাসমুক্ত। বর্তমান সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপের ফলে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূলের পথে। বাংলাদেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে বিগত বিএনপি ও চারদলীয় জোট সরকারের সময়। ১৯৯২ সালে আফগান-ফেরত মুজাহিদদের মাধ্যমেই বাংলাদেশে জঙ্গি কার্যক্রম শুরু হয়। তাদের অনুসৃত পথে এখন শতাধিক জঙ্গি সংগঠন রয়েছে দেশে। নেতৃত্বে আছে আফগান-ফেরত মুজাহিদদের কেউ না কেউ। মহাজোট সরকারের আমলে একসময় গ্রেপ্তারকৃত ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিম’-এর সদস্যরা সংগঠিত হয়েছিল হুজির সাবেক নেতা ও ফাঁসির দ- কার্যকর হওয়া শায়খ আবদুর রহমানের আদর্শে। মূলত হুজির পূর্বসূরিদের ‘সশস্ত্র বিপ্লব’-এর মাধ্যমে ইসলামি রাষ্ট্র কায়েমের ‘অসম্পন্ন’ কাজ সম্পন্ন করতে নেমেছিল বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ায়, জঙ্গিদের কার্যক্রম প্রায় কঠিন হয়ে পড়েছে। এ জন্য বিভিন্ন সময়ে নাশকতার সৃষ্টি করে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা করছে তারা। তারা হেফাজতের সঙ্গে মিশেও সরকার উৎখাতের চেষ্টা করেছিল; ব্যর্থ হয়ে নিজেরা নাশকতার ছক তৈরি করে দেশজুড়ে। উল্লেখ্য, আফগান-ফেরত কয়েক হাজার মুজাহিদ আলাদা আলাদা সংগঠনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে তালেবানি রাষ্ট্র বানানোর কার্যক্রমে জড়িত রয়েছে। হুজি, জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ ও আনসারুল্লাহর নীতি ও আদর্শ একই। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি ক্ষমতায় আসীন হয় এবং ২০১৪ সালে ফের সরকার গঠন করে। গত সাড়ে ৯ বছরে একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ও সমাজ কাঠামোর দিকে অগ্রসর হয়েছে এ দেশ। এ সময় সরকার ধর্মীয় উগ্রবাদ এবং বামপন্থি সর্বহারাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকেছে। কিন্তু ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকাজ শুরু হলে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির দেশে অরাজকতা ও নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা করে। অন্যদিকে ২০১৩ সালে হেফাজতে ইসলামের আবির্ভাব ঘটলে তাদের সঙ্গে যুক্ত হয় নিষিদ্ধ ঘোষিত কিছু জঙ্গি সংগঠন। এদের সবার মুখ্য উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়ায় যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানো। ফলে মহাজোট সরকারের আমলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও তাদের কারণে খানিকটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ২০১৭ সাল পর্যন্ত সরকারকে প্রায় ৫০টির মতো সন্ত্রাসী কর্মকা- মোকাবিলা করতে হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির নেতাকর্মীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বন্দুকযুদ্ধে মারা পড়েছে শতাধিক ব্যক্তি। ৫৫টির মতো ইসলামি দলের নাশকতা ব্যর্থ করেছে পুলিশ-র‌্যাবের যৌথ বাহিনী। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩ হাজার জঙ্গিকে, যারা হুজি, ইসলামী ছাত্রশিবির, জেএমবি, হিযবুত তাহরির ও হেযবুত তওহীদের সদস্য। একসময় যুদ্ধাপরাধী জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের মুক্ত করার জন্য দেশব্যাপী যে নাশকতার সৃষ্টি করা হয়, সে পরিস্থিতিতে আরও বেশকিছু শিবিরকর্মীকে গ্রেপ্তার করতে বাধ্য হয় পুলিশ। এক হিসাবে, ২০১৭ সাল পর্যন্ত ৮৫টি নাশকতার ঘটনায় ৩ হাজার ২৪৪ জন ক্যাডারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মূলত ইসলামী জঙ্গি গ্রেপ্তারে সাফল্য রয়েছে অনেক। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে পুলিশ ছাত্রশিবিরের বিপুলসংখ্যক ক্যাডারকে গ্রেপ্তার করে। একই অভিযোগে হিযবুত তাহরিরের ক্যাডারদের ধরা হয়। উপরন্তু ব্যাপক নাশকতার পরিকল্পনা করার জন্য মিটিংয়ে বসলে ঢাকার পান্থপথের একটি রেস্টুরেন্ট থেকে হেযবুত তওহীদের অর্ধশত ক্যাডারকে আটক করা হয়। এছাড়া নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনগুলো সরকারের বিরুদ্ধে মিছিল করার চেষ্টা করলে কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হলে র‌্যাব ও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে একাধিক জনকে। এদের মধ্যে শুধু হেযবুত তওহীদ নয়, জেএমবির নেতারাও রয়েছে। দেশব্যাপী ২০১৭ সালে পরিচালিত অনেকগুলো অভিযানের মধ্য দিয়ে জঙ্গিবাদ দমনে র‌্যাব সদস্যরা সাফল্য দেখিয়েছেন, যা পূর্ববর্তী বছরের মতো সরকার ও জনগণের কাছে সুনাম অর্জন করেছে। এ সময় তারা চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনেছেন। ২০১৬ সালের জুলাই মাস থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ১৬টির বেশি জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালানো হয়। এতে ৪৬ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৫ পুরুষ ও ছয় নারী জঙ্গি। এছাড়া বাকি ৫ জন শিশু। ২০১৬ সালের ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’, ‘অপারেশন স্টোর্ম-২৬’, ‘অপারেশন হিট স্ট্রং ২৭’, ‘অপারেশন রূপনগর’, ‘অপারেশন আজিমপুর’, ‘স্পেইট-এইট’, ‘অপারেশন শরতের তুফান’, ‘অপারেশন হারিনাল’, ‘অপারেশন গাজীরাস্ট’, ‘অপারেশন কাপমারা’, ‘অপারেশন রিপল ২৪’ প্রভৃতি জঙ্গিবাদবিরোধী অপারেশনে ‘র‌্যাব’ সদস্যরা সম্পৃক্ত ছিলেন। ২০১২ সালের পরিস্থিতি নিয়ে ‘কান্ট্রি রিপোর্টস অন টেররিজম ২০১২’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বর্তমান মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে ২০০৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ‘সন্ত্রাস দমন আইন, ২০০৯’ পাস করে। সে আইনকে যুগোপযোগী করার প্রয়োজন দেখা দেয় বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসী কর্মকা-ের ধরন দ্রুত পাল্টানোর ফলে। এজন্য সন্ত্রাসী কর্মকা-ে অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংস্থা এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ (এপিজি) এবং ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্কফোর্সের (এফএটিএফ) মানদ- অনুসরণ করতে সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এরপর ২০১২-এ এক দফা আইনটি সংশোধন করা হয়। কিন্তু তারপরও আরও কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আন্তর্জাতিক মহল থেকে অনুরোধ আসে। এসব বিষয় যুক্ত করতেই সরকার আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৩ সালের ১১ জুন জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল-২০১৩ পাস হয়েছে। এ বিলের গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ইন্টারনেটভিত্তিক সন্ত্রাসী কর্মকা- প্রতিরোধে বাস্তবসম্মত ধারাগুলোর অন্তর্ভুক্তি। কোনো সন্ত্রাসী ব্যক্তি বা সংগঠন ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে সন্ত্রাসী কর্মকা- করলে সাক্ষ্য আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, এ সংক্রান্ত তথ্যগুলো প্রমাণ হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করা যাবে। অন্যদিকে এ বিলে জঙ্গি দমনে গুরুত্বপূর্ণ ধারা যুক্ত হয়েছে। আলকায়দার সম্পদ বাজেয়াপ্ত, অস্ত্র বিক্রি ও ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা এবং জঙ্গিবাদে অর্থায়নে নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নেওয়া দুটি প্রস্তাবও আইনে পরিণত করা হয়েছে। আইন, বিচার ও নিবিড় নজরদারির কারণে বাংলাদেশে জঙ্গিরা সুবিধা করতে পারছে না। অন্যদিকে জঙ্গি অপতৎপরতা দমনে আত্মত্যাগ করতে হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের। ২০১৭ সালের ৩১ মার্চ সিলেটে জঙ্গিদের বোমা হামলায় র‌্যাবের গোয়েন্দা প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবুল কালাম আজাদ নিহত হয়েছেন। শুধু তিনি নন, এর আগেও র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান কর্নেল গুলজার উদ্দিন আহমেদ ২০০৯ সালে পিলখানায় নির্মমভাবে প্রাণ হারিয়েছেন। আধুনিক র‌্যাব গঠনে তার ভূমিকা ছিল ব্যাপক। ২০১৭ সালের ১৮ মার্চ আশকোনায় র‌্যাব ক্যাম্পে আত্মঘাতী হামলায় র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হন। প্রাণ যায় হামলাকারীরও। আশকোনায় র‌্যাব ক্যাম্পে আত্মঘাতী হামলার একদিন পরই ভোর পৌনে ৫টার দিকে রাজধানীর খিলগাঁও থানার নন্দীপাড়া শেখেরটেকে র‌্যাবের চেকপোস্টে হামলার ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হন। র‌্যাবের গুলিতে হামলাকারী নিহত হয়। এছাড়া আত্মত্যাগের আরও দৃষ্টান্ত রয়েছে ‘র‌্যাব’র নিজস্ব ওয়েবসাইটে। বাংলাদেশে ৯০ দশক থেকে জঙ্গি তৎপরতার শুরু হলেও ২০১৬ সালে এসে জঙ্গিদের আরও হিংস্র ও আগ্রাসী মনোভাব দেখা যায়। তবে পাল্টা অভিযানে বেশ সফলই হয়েছে এলিট ফোর্স ‘র‌্যাব’। ২০১৭ সালেও জঙ্গিবিরোধী বেশকিছু অভিযানে শীর্ষস্থানীয় বেশ ক’জন জঙ্গি নিহত হয়, পাশাপাশি ভেঙেছে তাদের জাল। জেএমবি ২০০২ সাল থেকে এ পর্যন্ত হত্যা এবং হামলার তালিকা প্রকাশ করেছে। ২০০২ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ ১৫ বছরে ১৭৮টি হত্যা ও হামলার দায় স্বীকার করেছে জেএমবি। এর মধ্যে তারা ২০টি চাঞ্চল্যকর হত্যাকা- ঘটিয়েছে বলেও দাবি করা হয়। অবশ্য ১৩ ডিসেম্বর ২০০৫ তারিখে জেএমবির সামরিক কমান্ডার আতাউর রহমান সানিকে ঢাকার তেজগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী সময়ে ১ মার্চ ২০০৬ জেএমবি প্রধান শায়খ আবদুর রহমানকে সিলেট শহরের শাপলাবাগ এলাকার সূর্যদীঘল বাড়ি নামের একটি বাড়ি থেকে এবং একই বছরের ৬ মার্চ জেএমবির সেকেন্ড-ইন-কমান্ড সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলাভাইকে ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানার চেচুয়া বাজারের রামপুর গ্রাম থেকে র‌্যাব সদস্যরা গ্রেপ্তার করেন। এদের গ্রেপ্তারের ফলে জেএমবি অনেকটা কোণঠাসা ও দুর্বল হয়ে পড়ে। এসব সংগঠনের মূল নেতৃত্ব বর্তমানে জীবিত না থাকলেও গোপনে গোপনে এরা সংগঠিত হয়ে এদের তৎপরতা এখনও চালিয়ে যাওয়ার প্রয়াস পাচ্ছে বলে ধারণা করা হয়। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের সময় জঙ্গি হামলা ও সন্ত্রাসী কর্মকা-ের দায়ে এরই মধ্যে বিভিন্ন সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত র‌্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের মোট ৭৭৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৫২ জনই হলো নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি সদস্য। এ সময় ‘র‌্যাব’ ও অন্যান্য সদস্য মোট ২০৪টি গ্রেনেড ও বোমা, ৭৫টি বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র, প্রায় তিন হাজার রাউন্ড গোলাবারুদ, দুই হাজার কেজি বিস্ফোরক, ৬২৪টি গ্রেনেডের বডি, ৯ হাজার ডেটোনেটর ও বিপুলসংখ্যক সাংগঠনিক বই, সিডি ও লিফলেট উদ্ধার করেছেন। মূলত শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়া জঙ্গিরা আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছে না। বলতে গেলে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস এখন সম্পূর্ণ না হলেও নির্মূলের পথে। আর বর্তমান সরকারের এ পদক্ষেপ এখন বিশ্বব্যাপী প্রশংসিতও হচ্ছে। তবে সাফল্যের পাশাপাশি সতর্কতাও অবলম্বন করতে হবে। 

ড. এসএম জাহাঙ্গীর আলম
বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক কর কমিশনার ও
চেয়ারম্যান ন্যাশনাল এফএফ ফাউন্ডেশন