আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১৬-০৫-২০১৯ তারিখে পত্রিকা

কলসিন্দুর স্কুলে আগুন

প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন সানজিদারা

স্পোর্টস রিপোর্টার
| খেলা

রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে গেছে ময়মনসিংহের ধোবাউরা উপজেলার কলসিন্দুর উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ। যে কক্ষে ছিল স্কুলের মেয়ে ফুটবলারদের ট্রফি, পদক ও সনদ। সেগুলোও পুড়ে ছাই হয়েছে। এ স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রী মারিয়া মান্ডা ও সানজিদা, তহুরা এবং মারজিয়া, শামসুন্নাহাররা এখন জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার। নিজেদের স্কুলের অফিস কক্ষ ও তাদের কস্টে অর্জিত খেলার উপহার সামগ্রী পুড়ে যাওয়ায় ভীষণ কস্ট পেয়েছেন তারা। বুধবার দুপুরে বাফুফে ভবনের পাশে টার্ফে দাঁড়িয়ে দুই সিনিয়র খেলোয়াড় মারিয়া মান্ডা ও সানজিদা আক্তার এ ঘটনার তৃতীয় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি বিচার চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। মারিয়া মান্ডা বলেন, ‘আমরা প্রথমে জানিনি। সকালে আমাদের স্যার (কোচ গোলাম রব্বানি ছোটন) সবাইকে জানিয়েছেন যে, আমাদের স্কুলে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে। শোনার পর মন খারাপ করেছে। আমরা যখন ভালো রেজাল্ট করি তখন আমাদের মেডেল হাতে দিয়ে দেওয়া হয়। যারা জুনিয়র তাদের অনেকের ট্রফি, মেডেল সনদ অফিস রুমে ছিল। এখানে ক্যাম্পে আছেÑ এমন অনেকের দেওয়া হয়নি। আমার ব্যক্তিগত পদকগুলো বাসায় নিয়ে রেখেছিলাম। তবে দলীয়ভাবে অর্জন করা ট্রফিগুলো স্কুলেই ছিল। স্কুল পুড়ে যাওয়ার খবর শোনার পর থেকে মনটা খারাপ হয়ে গেছে। আমরা চাই এর সুষ্ঠু বিচার হোক। তদন্ত হলে দোষীদের বের করা যাবে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা এর বিচার চাই। যারা এমন কাজ করেছে, তাদের যেন শাস্তি দেওয়া হয়। এসব ঘটনা ঘটলে আমাদের জন্য সমস্যা। এমন হলে তো আমরা এগোতে পারব না। যারা অপরাধ করেছে, তাদের শাস্তি হওয়া উচিত। আমরা এর নিন্দা জানাই। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হলে আমরা দোষীদের শাস্তি দিতে বলব’Ñ বলেছেন মারিয়া মান্ডা। সানজিদা আক্তার বলেন, ‘সকালে নাস্তার করার সময় শুনেছি এ ঘটনা। খুব খারাপ লাগছে। আমরা ওই স্কুলে পড়েছি। ওই স্কুলের মাঠে অনেক খেলেছি। যে ব্যক্তি এমন জঘন্য কাজ করেছে তাকে শনাক্ত করে যেন শাস্তি দেওয়া হয়। আমার ব্যক্তিগত ট্রফি, সনদ ও পদক বাসায় আছে। দলীয়ভাবে জেতা স্মৃতিগুলো ছিল স্কুলে। তবে জুনিয়র মেয়েদেরগুলো পুড়ে গেছে। কারণ, অনেকে সনদ, পদক ও ট্রফি নিতে পারেনি।’