আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১৬-০৫-২০১৯ তারিখে পত্রিকা

কিশোরগঞ্জে নার্স ধর্ষণ ও হত্যা

আদালতে জবানবন্দি দিলেন বাস কাউন্টার মাস্টার রফিক

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
| শেষ পাতা

কিশোরগঞ্জে চলন্ত বাসে নার্স তানিয়াকে জোরপূর্বক ধর্ষণের পর হত্যার বিষয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ডের স্বর্ণলতা পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার রফিকুল ইসলাম রফিক। 

বুধবার বিকালে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আল মামুনের আদালতে জবানবন্দির কাজ সম্পন্ন হয়। জবানবন্দি গ্রহণের পর বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ ছাড়া মামলায় গ্রেপ্তারকৃত পাঁচ আসামিকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্বর্ণলতা বাসের কাউন্টার মাস্টার রফিকুল ইসলাম তার জবানবন্দিতে ধর্ষণ ও হত্যার সঙ্গে কারা জড়িত তাদের নাম বলেন এবং তানিয়াকে কীভাবে বাস থেকে নামিয়ে কটিয়াদী হাসপাতালে নেওয়া হয় এর বিবরণ দেন। তবে ধর্ষণ ও হত্যার সঙ্গে নিজেকে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন তিনি।

এর আগে মঙ্গলবার বাসচালকের সহকারী লালন মিয়া এবং শনিবার বাসের চালক নূরুজ্জামান আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। জবানবন্দিতে চলন্ত বাসে চালক নূরুজ্জামান নুরু ও সহকারী লালন মিয়াসহ তিনজন মিলে তানিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেন। এদিকে মামলার অপর দুই আসামি খোকন মিয়া ও বকুল ওরফে ল্যাংড়া বকুলকে ৮ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গেল সোমবার রাতে চলন্ত বাসে নার্স তানিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়। স্বর্ণলতা পরিবহনের একটি বাসে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার বাহেরচর গ্রামের নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে ঘটনাটি ঘটে। ওইদিন রাতেই পুলিশ বাসের চালক নুরুজ্জামান ও হেলপার লালন মিয়াসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। গেল বুধবার তাদের আদালতে হাজির করে আট দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।