আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১৬-০৫-২০১৯ তারিখে পত্রিকা

বোয়ালমারীতে সংঘর্ষে আহত ২০

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
| দেশ

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের চন্ডিবিলা গ্রামে বুধবার সকালে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ১০ থেকে ১২টি বাড়িঘর ভাঙচুর হয়েছে। আহতদের মধ্যে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় ১৪ জনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং একজনকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও ঘোষপুর ইউপি চেয়ারম্যান এসএম ফারুক হোসেনের সমর্থক চন্ডিবিলা গ্রামের কাজী রফিউদ্দিন ও সাবেক চেয়ারম্যান চাঁন মিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি, ইউপি সদস্য জামাল হোসেনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছে। সম্প্রতি ঘোষপুর ইউনিয়নের চন্ডিবিলা মধুমতি নদীর বালুমহাল ইজারাকে কেন্দ্র করে বুধবার সকালে দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষে ফারুক চেয়ারম্যান গ্রুপের মুন্নু মোল্লা, স্থানীয় আওয়ামী লীগ সমর্থক কাজী রফিউদ্দিন, তার ছেলে কাজী শিমুল, কাজী শামীম, সাইফার, মোস্তফা মোল্লা, সাইফুর রহমান, আবদুর রাজ্জাক, মতিয়ার রহমান, কবির হোসেন ও সাহেব আলীকে আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বোয়ালমারী হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসাপ্রাপ্তরা হলেন ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি আ. রাজ্জাক, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসেন। এ ব্যাপারে ঘোষপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম ফারুক হোসেন বলেন, বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান চাঁন মিয়া সমর্থক ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জামাল মেম্বার ও আবু বকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। আওয়ামী লীগ নেতা ও ঘোষপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান চাঁন মিয়া বলেন, আগের দিন রাতে আমার লোকদের উপর ঘোষপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের লোকেরা হামলা চালিয়ে আহত করে। এ কারণে এ ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। আমি এ ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। বোয়ালমারী থানার ওসি একেএম শামীম হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ দেয়নি।