আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১৩-০৬-২০১৯ তারিখে পত্রিকা

লালবাজার অভিযানে রণক্ষেত্র কলকাতা

বিজেপির মিছিলে পুলিশের জলকামান, লাঠিচার্জ

আলোকিত ডেস্ক
| আন্তর্জাতিক

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বলে অভিযোগ করে বুধবার কলকাতায় মিছিল করেছে বিজেপি। আর সেই মিছিল ঘিরে পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। বিজেপি কর্মীরা কলকাতা পুলিশের সদর দপ্তর লালবাজারের দিকে যেতে চাইলে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। কলকাতার বি-বি গাঙ্গুলী স্ট্রিটে পুলিশের তৈরি করা ব্যারিকেড ভেঙে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা ঢুকতে চেষ্টা করলে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ প্রথমে জলকামান, পরে কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে। সেন্ট্রাল এভিনিউ মোড়েই আটকে দেওয়া হয় ওই মিছিল। পুলিশের দাবি, বিজেপি কর্মীরা ইটপাটকেল ছুড়তে থাকলে মিছিলে ওপর জলকামান ব্যবহার করা হয়।

এদিন সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে অভিযান শুরু করে বিজেপি। এ অভিযান ঘিরে গ-গোলের আশঙ্কা আগেই ছিল। প্রশাসনও প্রস্তুত ছিল। তাই মিছিলে যেসব রাস্তা দিয়ে যাবে, সেসব জায়গায় কড়া পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে রেখেছিল রাজ্য প্রশাসন। অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে জায়গায় জায়গায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেন্ট্রাল এভিনিউ ও বি-বি গাঙ্গুলী স্ট্রিটে ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রাখা হয়। লালবাজারের সামনে তিন স্তরীয় নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়। নজরদারি চালাতে ড্রোনের সাহায্যও নেওয়া হয়। বিজেপির দাবি, তারা লালবাজার পর্যন্ত যাবেই। পুলিশ ঠিক করেছে, কোনোভাবেই বিজেপিকে এগোতে দেওয়া হবে না। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপি সভাপতি দীলিপ ঘোষ বলেন, আমরা পুলিশের সঙ্গে লড়তে আসিনি। পুলিশ বাধ্য হয়ে আমাদের ওপর অত্যাচার করছে। শাজাহান সন্দেশখালিতে খুন করেছে। আর সেই শাজাহান তৃণমূলের দেহরক্ষী।
রাজ্যে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের প্রশ্নে আরও একবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনায় সরব হলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। আসানসোলের এ সংসদ সদস্য বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নিজে সন্ত্রাসে মদত দিচ্ছেন। শুধু তাই নয়, দলীয় কর্মী এবং পুলিশকে দিয়েও একই কাজ করাচ্ছেন তিনি। ক্ষমতায় থাকার সব নৈতিক অধিকার হারিয়েছে মমতা ব্যানার্জির সরকার। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মেয়াদ আরও দুই বছর বাকি। কিন্তু বাবুল মনে করেন, ২০২১ সাল পর্যন্ত এ সরকার টিকবে না। আনন্দবাজার, এনডিটিভি