আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১৬-০৬-২০১৯ তারিখে পত্রিকা

কাঁকড়া-কুচিয়া রপ্তানিতে আয় ৯৮৯ কোটি টাকা

| অর্থ-বাণিজ্য

প্রচলিত মৎস্যজাত পণ্যের পাশাপাশি বাংলাদেশে অপ্রচলিত মৎস্যপণ্য যেমন কাঁকড়া ও কুচিয়ার উৎপাদন এবং রপ্তানি আয়ের পরিমাণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ২০১৪-১৫ থেকে ২০১৬-১৭ সালের মধ্যে দুটি পণ্য রপ্তানি করে প্রায় ৯৮৯ কোটি টাকা আয় হয়েছে।
১৩ জুন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারের সম্মেলনকক্ষে ‘বাংলাদশের নির্বাচিত এলাকায় কুচিয়া ও কাঁকড়ার চাষ এবং গবেষণাপ্রকল্পে’র দিনব্যাপী এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়। মৎস্য অধিদপ্তরের ডিজি আবু সাইদ মো. রাশেদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরু। অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব রইছউল আলম ম-ল, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াসি উদ্দিন, প্রকল্পের কন্সালটেন্ট ফিলিপাইনের অধিবাসী ড. এমিলিয়া টি কুইনটিনো, প্রকল্প পরিচালক মাসুদা খানম প্রমুখ। জুলাই ২০১৫ থেকে জুন ২০১৯ পর্যন্ত চার বছর মেয়াদি প্রকল্পটি শেষ হয়েছে।
কর্মশালায় জানানো হয়, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ১২ হাজার ৪৯৩.৯৭ মেট্রিক টন কুচিয়া রপ্তানির বিপরীতে আয় হয়েছে ১৯৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১২ হাজার ৪৫১.৫৯ টনের বিপরীতে ১৮৩ কোটি ৮৫ লাখ, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১২ হাজার ৬৮৫.৯৮২ টনের বিপরীতে ২০৪ কোটি ৪৮ লাখ এবং একই অর্থবছরে ৭ হাজার ২০২.৮০ মেট্রিক টন হিমায়িত ও জীবিত কাঁকড়া রপ্তানির বিপরীতে ৪০৪ কোটি ২০ লাখ টাকার বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে।  
অন্যদিকে মৎস্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণে চার বছর মেয়াদি ‘বাংলাদেশের নির্বাচিত এলাকায় কুচিয়া ও কাঁকড়ার চাষ এবং গবেষণা প্রকল্পে’র আওতায় দেশের আট বিভাগের ২১ জেলার ৩৬ উপজেলায় কাঁকড়া ও কুচিয়া চাষ সম্প্রসারিত হয়েছে। ২০১৫-১৭ অর্থবছরে প্রকল্প এলাকার ৮৪৫ প্রদর্শনী খামারে ১৯২.১৬ মেট্রিক টন কাঁকড়া এবং ২৬৪ প্রদর্শনী খামারে ৬২.৩৭ মেট্রিক টন কুচিয়া আহরিত হয়েছে। এ সময় উভয় পণ্যের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ২৬৫.৪৩ মেট্রিক টন নির্ধারিত হলেও উৎপাদিত হয়েছে ২৮১.৫০ মেট্রিক টন।
প্রকল্প চলাকালীন ৯৫৬ উদ্বুুদ্ধকারী চাষির প্রচেষ্টায় প্রকল্প এলাকায় ১ হাজার ১৭২ প্রদর্শনী খামারের ৫ হাজার ৭৫৩ নরনারী উপকৃত হন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি