আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১৬-০৬-২০১৯ তারিখে পত্রিকা

চেয়ারম্যান পদে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাচন

আবুল হাসান, মাদারীপুর
| দেশ

মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ১৮ জুন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। নির্বাচনি এলাকা ছেয়ে গেছে প্রার্থীদের পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুনে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কাজল কৃষ্ণ দের সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন অ্যাডভোকেট ওবায়দুর রহমান কালু খান। তাকে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করেন ভোটাররা। তাই এবারের নির্বাচন দুইজনের জন্যই কঠিন অগ্নিপরীক্ষা বলে মনে করেন তারা। আওয়ামী লীগের প্রার্থী কাজলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম রয়েছেন বলে ধারণা জনগণের। এদিকে নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে কি না, এ বিষয়ে ভোটারদের মধ্যে সংশয় বিরাজ করছে। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের কাছে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ রাখার আশ্বাস দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পাভেলুর রহমান শফিক খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজল কৃষ্ণ দে এবং মাদারীপুর-২ আসনের এমপি এবং সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খানের ছোট ভাই ওবায়দুর রহমান কালু খান আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু দলের হাইকমান্ড কাজল কৃষ্ণ দের মনোনয়ন নিশ্চিত করে। ফলে অ্যাডভোকেট ওবায়দুর রহমান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আনারস মার্কা নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মাঠে নেমেছেন। মনোনয়ন না পেলেও পাভেলুর রহমান নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। ঈদের পর উপজেলাজুড়েই নির্বাচনি প্রচারণা জমজমাট হয়ে উঠেছে। এছাড়া নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তুষার ভূইয়া, সাবেক ছাত্রনেতা জাহিদুল ইসলাম, সাহাবুদ্দিন হাওলাদার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পারভীন জাহান, নার্গিস আক্তার ফারজানা নাজনীন ও রোকসানা পারভীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, নির্বাচন সম্পন্নের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। সদর উপজেলা নির্বাচনে ১১৫টি ভোট কেন্দ্রে ২ লাখা ৬৬ হাজার ৯৯২ জন ভোট দেবেন। ১১৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১০টিই ঝুঁকিপূণ বলে জানান মাদারীপুর পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদার।