আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১৬-০৬-২০১৯ তারিখে পত্রিকা

‘সীমান্তে হত্যাকান্ড অনাকাক্সিক্ষত’

| প্রথম পাতা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ওপর সংঘবদ্ধ হামলা হলে আত্মরক্ষার্থে আমরা গুলি (ফায়ার আর্মস) চালাই। তবে হত্যার ঘটনাকে ‘অনাকাক্সিক্ষত’ বলে দাবি করেছেন ভারতের বিএসএফের ডিজি শ্রী রজনীকান্ত মিশ্রা। তিনি বলেছেন, এ হত্যার ঘটনা কেন বেড়ে গেছেÑ তা আমরা খতিয়ে দেখছি।

সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে আমাদের বাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। গেল বছর সীমান্তে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। পক্ষান্তরে বাংলাদেশি চোরাচালানিদের হামলায় ছয় ভারতীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন। বিএসএফ প্রথমেই আগ্নেয়াস্ত্র যাতে ব্যবহার না করে, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া আছে। কিন্তু কখনও কখনও অবস্থা এমন হয়, চোরাচালানিরা লাঠি, পাথর, ধারালো অস্ত্র নিয়ে সীমান্ত রক্ষাকারীদের ওপর সংঘবদ্ধ হামলা চালায়। তখন আত্মরক্ষার্থে আমরা গুলি (ফায়ার আর্মস) চালাই। তবে কাউকে টার্গেট করে চালানো হয় না। কিন্তু সীমান্ত রক্ষাকারীদের ওপর হামলা হলে অনাকাক্সিক্ষত এ ঘটনা ঘটে। চার দিনব্যাপী বিজিবি-বিএসএফ ডিজি পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলন শেষে শনিবার সকালে পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে উভয় দেশের প্রেস ব্রিফিংয়ে বিএসএফ ডিজি এসব কথা বলেন। 

বিএসএফ মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভারতীয় হাইকমিশনের প্রতিনিধিসহ ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল সীমান্ত সম্মেলন ঢাকায় অংশগ্রহণ করে। বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিসহ ১৯ সদসস্যের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে। 

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত সীমান্তে ১৫ বাংলাদেশি নিহত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসএফ ডিজি বলেন, মানুষের জীবন রক্ষা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সীমান্ত এলাকায় এ হত্যাকা- কারও কাম্য নয়। আমরা সীমান্তে সর্বোচ্চ ধৈর্য ধরি। প্রতিটি ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করে।