আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১২-০৭-২০১৯ তারিখে পত্রিকা

বিআইপির সেমিনারে বক্তারা

বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া রিকশা বন্ধ করা উচিত নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
| নগর মহানগর

সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া রিকশা বন্ধ করা উচিত নয়। নগর পরিবহন ব্যবস্থায় রিকশার অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি দিয়ে রিকশার ভূমিকাকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার মাধ্যমে ঢাকা শহরের জন্য বহুমাধ্যমভিত্তিক সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বীর উত্তম সি আর দত্ত রোডে নিজস্ব কনফারেন্স হলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) ‘ঢাকা শহরে রিকশা ও অযান্ত্রিক বাহনের চলাচল সম্পর্কে নগর পরিকল্পনার দৃষ্টিকোণ থেকে করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন বিআইপির সভাপতি একেএম আবুল কালাম আজাদ, সহ-সভাপতি আক্তার মাহমুদ, বুয়েট অধ্যাপক মুসলেহ উদ্দিন প্রমুখ। বক্তারা বলেন, একটি রিকশা যতটুকু জায়গা দখল করে তার দ্বিগুণ জায়গা দখল করে প্রাইভেট কার। একটি রিকশা সারা দিনে কমপক্ষে ৪০ যাত্রীবহন করে। একটি প্রাইভেট কার সারা দিনে একজন, বড়জোর দুইজন যাত্রী বহন করে। রিকশায় পরিবেশদূষণ হয় না, প্রাইভেট কারে পরিবেশদূষণ হয়। প্রাইভেট কার চলাচল নিয়ন্ত্রণ করুন।

বক্তারা বিভিন্ন দাবি জানিয়ে বলেন, শহরের রাস্তার সক্ষমতা বিবেচনাপূর্বক রিকশা এবং ব্যক্তিগত গাড়ির পরিমাণ ও ব্যবহার সুনির্দিষ্ট করতে হবে। জোনভিত্তিক গণপরিবহন পরিকল্পনা দরকার। চক্রাকার বাস সার্ভিসের মতো সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য মানসম্মত কমিউনিটিভিত্তিক ট্রানজিট ব্যবস্থা চালু করতে হবে যেন মানুষ রিকশা বা ব্যক্তিগত গাড়ির বিকল্প খুঁজে পায়।
বিআইপির সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মুহাম্মদ খান প্রেজেন্টেশনে বলেন, কম দৈর্ঘ্যরে পথে কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য রিকশাকে বেছে নিয়েছে অনেকেই। ১৯৮৬ সালের ঢাকা সিটি করপোরেশনে সর্বশেষ রিকশা-ভ্যানের নিবন্ধন দেওয়া হয়।