আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১২-০৭-২০১৯ তারিখে পত্রিকা

দশম দিনের সাক্ষ্য ও জেরা শেষ

‘পরীক্ষার হলে মনি ও পপি ১৫ মিনিট দেরিতে আসে’

ফেনী প্রতিনিধি
| প্রথম পাতা

ফেনীর আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দশম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে নুসরাতের মাদ্রাসাশিক্ষক আবুল খায়েরের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। আবুল খায়ের আদালতকে জানান, ৬ এপ্রিল পরীক্ষার হলে কামরুন নাহার মনি ও উম্মে সুলতানা পপি ১৫ মিনিট দেরিতে প্রবেশ করে। এ বিষয়ে তারা জানিয়েছিল, তারা বাথরুমে ছিল। এর কিছুক্ষণ পর নুসরাতের অগ্নিকা-ের খবর শুনতে পান তিনি। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী এম. শাহজাহান সাজু বলেন, এ নিয়ে হত্যা মামলার ১৩ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। ১৪ জুলাই আরও দুই সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হবে। তারা হচ্ছেন আবদুল হালিম মামুন ও মো. ইউসুফ। এর আগে ২৭ জুন মামলার বাদী ও প্রথম সাক্ষী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমানের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। পরে রাফির বান্ধবী নিশাত সুলতানা ও সহপাঠী নাসরিন সুলতানা, মাদ্রাসার পিয়ন নুরুল আমিন, নৈশপ্রহরী মো. মোস্তফা, কেরোসিন বিক্রেতা লোকমান হোসেন লিটন, বোরকা দোকানদার জসিম উদ্দিন ও দোকানের কর্মচারী হেলাল উদ্দিন ফরহাদ, নুসরাতের ছোট ভাই রাশেদুল হাসান রায়হান, জহিরুল ইসলাম, হল পরিদর্শক বেলায়েত হোসেন, নুসরাতের মা শিরিন আখতার ও শিক্ষক আবুল খায়েরের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয়। 
২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ৬ এপ্রিল ওই মাদ্রাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত জাহান রাফি।