আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১২-০৭-২০১৯ তারিখে পত্রিকা

‘বাল্যবিয়ে কমলে মা ও শিশুমৃত্যু কমবে’

| প্রথম পাতা

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক ষ আলোকিত বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ বিদেশ থেকে যত পুরস্কার পেয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পেয়েছে স্বাস্থ্য খাতে। বাংলাদেশ স্বাস্থ্য খাতে দারুণ সাফল্য অর্জন করেছে। আমাদের গড় আয়ু বেড়েছে। গড় আয়ু ৭৩ বছর। আমেরিকায় ৭৮ বছর। আমরা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছি, তাতে আমরা আমেরিকাকে ধরে ফেলব। আমরা মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু কমিয়েছি। বাল্যবিয়ে কমালে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু আরও কমবে। ২৫ বছর আগে প্রতি ১ হাজারে আটজন প্রসবকালীন মা মারা যেতেন। ২০০৪ সালে ছিল ৩ দশমিক ২০ জন, যা বর্তমানে কমে ১ দশমিক ৬৯ হয়েছে। ৫ বছরে মাতৃমৃত্যুর হার ৭০ শতাংশ কমিয়ে আনা সম্ভব। এ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।
বৃহস্পতিবার বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এবারে দিবসটির প্রতিপাদ্যÑ জনসংখ্যার উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ২৫ বছর : প্রতিশ্রুতির দ্রুত বাস্তবায়ন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে পদ্মা সেতু হচ্ছে , মেট্রো রেল হচ্ছে, বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়েছে। কিছু মৌলিক চাহিদা পূরণ করায় স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি আ ফ ম রুহুল হক, ইউএনএফপিএ’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি অশো টরকোলসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী মোস্তফা সারোয়ার, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক আশরাফুন্নেছা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব শেখ ইউসুফ হারুন। 
অনুষ্ঠানে ‘পরিবার পরিকল্পনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। মোট চারজন সাংবাদিক পুরস্কৃত হন। এতে প্রিন্ট মিডিয়ায় পুরস্কার পান দৈনিক ইনকিলাবের রিপোর্টার মইনুল আহসান ও যুগান্তরের সাব এডিটর রীতা ভৌমিক। টিভি চ্যানেলে গাজী টিভির চিফ রিপোর্টার রাজু আহমেদ ও ডিবিসির রিপোর্টার তাহসিনা সাদেক। 
এছাড়া অনুষ্ঠানে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের শ্রেষ্ঠ কর্মীদের পুরস্কৃত করা হয়। মন্ত্রী তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন। এর আগে সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে একটি র‌্যালি শুরু হয়। র‌্যালিটি শেষ হয় খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে।