আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১২-০৯-২০১৯ তারিখে পত্রিকা

হাওর সমস্যা ও সম্ভাবনার সাতকাহন

| সম্পাদকীয়

অপার সম্ভাবনা ও সমস্যার আরেক নাম হাওর। বর্ষার বিস্তৃত জলরাশি কিংবা হেমন্তের সবুজ বর্ণালি প্রান্তর জেগে আছে সম্ভাবনাময় দুয়ার খুলে। দেশের প্রধান খাদ্যশস্য ধান ও পর্যাপ্ত আমিষসমৃদ্ধ মাছের জোগানসহ সম্ভাব্য মিঠা পানি, পর্যটন, বনায়ন, মৎস্য-ঝিনুক ও সবজি আবাদ, গরু-ছাগল ও হাঁস পালনের পাশাপাশি একফসলি হাওরাঞ্চলের পতিত জলমগ্ন জমিগুলোকে দুই বা ততোধিক ফসল উৎপাদন উপযোগী করে গড়ে তোলার মাধ্যমে রাষ্ট্র লুফে নিতে পারে বিপুল অর্থকরী আয়। এ অসীম সম্ভাবনার বিপরীতে রয়েছে অধিক সমস্যার বেড়াজালে বন্দি বহুল ব্যথিত বাস্তবতা। সমস্যায় জর্জরিত এ অঞ্চলের মানুষের ক্রন্দনধারা হাওরের জলে মিশে হয় একাকার। অনাবৃষ্টি, অকাল বন্যা, খরা ও শিলায় সেখানকার কৃষক সমাজ যেমন বারবার ফলনবঞ্চিত হয়, তেমনি পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাবে কৃষক দেওয়ালে মাথা ঠোকে বারবার। কৃষক ছাড়াও হাওরপাড়ের মৎস্যজীবী সম্প্রদায় সর্বদা থাকছে অধিকার বঞ্চিত। মাছের প্রধান উৎসস্থল বিল-বাঁওড় বড় জলাশয়গুলো প্রভাবশালীরা দখলে নিয়ে প্রকৃত জেলেদের করছে প্রাপ্তিশূন্য।
আমরা মাছে-ভাতে বাঙালি। এ প্রবাদের মাছ-ভাত দুয়ের সংস্থানই করে থাকে হাওর। এ বৃহৎ বিস্তীর্ণ হাওর প্রায় অর্ধেক সময়ই থাকে জলমগ্ন। বিশাল জলরাশির উন্মত্ত তরঙ্গমালা ধবল দলে ধাক্কা দেয় হাওর মাঝে দ্বীপের মতো জেগে থাকা ছোট্ট শান্ত গাঁয়। এভাবে ঢেউয়ের প্রচ- আঘাতে নিঃসহায় গ্রামগুলো দিনের পর দিন অনিশ্চিত যাত্রায় হেঁটে চলেছে। এ জীবন অনিশ্চয়তার সাক্ষী হয়ে হাওরের পানিতে মাথা তুলে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকে হিজল করচের সারি বাঁধা দল। হাওরের সৌন্দর্য বর্ধনকারী পানিপ্রিয় এ উদ্ভিদ প্রজাতিই হয়ে উঠে বক, পানকৌড়ি, গাঙচিল, ঈগলসহ অনেক অচেনা পাখির নিরাপদ আশ্রয়স্থল। বিস্তীর্ণ হাওরের পানিপূর্ণ বুকে বসবাস করা দুর্যোগপ্রবণ প্রান্তিক মানুষগুলোর চলাচলের একমাত্র ভরসা তখন ছোট-বড় নৌকা। হাওরের ভাসমান বুক চিরে ছুটে চলা ইঞ্জিনচালিত কিংবা হাতে বাওয়া নৌকায় তাদের পাড়ি দিতে হয় বহু দুর্গম পথ। অন্যদিকে হেমন্তে পানি সংকুচিত হয়ে হাওরকে আরেক নৈসর্গিক লীলাভূমিতে পরিণত করে। বর্ষায় পলিপড়া উর্বরাশক্তি ও কৃষকের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় সবুজ চাদরে সেজে ওঠে মাঠের পর মাঠ। কখনও চোখে পড়ে হলদেটে আবরণ। ধান চাষে ব্রতচারী কৃষক তার অন্যতম রূপকার। এছাড়া হরেক প্রজাতির পরিযায়ী ও আবাসিক পাখির বিচরণ সেখানে। পাখিদের কলকাকলিতে মুখরিত হয় চারপাশ। রঙবেরঙা অসংখ্য চেনা-অচেনা পাখির মনোমুগ্ধকর মেলা আকৃষ্ট করে হাওরপ্রিয় মানুষকে। সবকিছু মিলিয়ে হাওর হতে পারে পর্যটন বিকাশের বড় মাধ্যম। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারে সরকার।
দেশের বৃহত্তম দুই হাওর হাকালুকি ও টাঙ্গুয়া প্রাকৃতিক সম্পদের ভা-ার হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশের বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি হিসেবে পরিচিত সিলেট ও মৌলভীবাজারের ৫টি উপজেলা নিয়ে বিস্তৃত হাকালুকি হাওর প্রায় ২৩৮টি বিল ও ১০টি নদীর সমন্বয়ে গঠিত। হাকালুকি হাওরে শীতকালে অতিথি পাখির আগমন ও স্থানীয় প্রায় ১০০ প্রজাতির পাখির কলতান মুখরিত পরিবেশ ভ্রমণপিপাসুদের আহ্বানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়া হাওর পরিযায়ী পাখির অভয়াশ্রম। প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এ হাওরটি বাংলাদেশর দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি। স্থানীয় লোকজনের কাছে হাওরটি নয়কুড়ি কান্দা ছয়কুড়ি বিল নামেও পরিচিত। এটি সুন্দরবনের পরই বাংলাদেশের দ্বিতীয় রামসার স্থান। টাঙ্গুয়া সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলাজুড়ে বিস্তৃত। পরিবেশবাদীদের গবেষণা রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বে বিপন্ন প্রায় বিরল প্রজাতির ২ শতাধিক পাখি এবং বিপন্ন ১৫০ প্রজাতি মাছের সমাগম এ হাওরে। টাঙ্গুয়ায় রয়েছে স্তন্যপায়ী দুর্লভ জলজ প্রাণী গাঙ্গেয় ডলফিন (শুশুক), খেঁকশিয়াল, উঁদ, বনরুই, গন্ধগোকুল, জংলি বিড়াল, মেছো বাঘ। উদ্ভিদের মধ্যে নলখাগড়া, হিজল, করচ, বরুণ, রেইনট্রি, পদ্ম, বুনো গোলাপসহ ২০০ প্রজাতিরও বেশি গাছগাছড়া, যা থেকে জ্বালানি কাঠ, গৃহসামগ্রী ও শৌখিন শোপিস তৈরির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় হয়। সম্পদ সম্ভাবনায় সমৃদ্ধিশালী এসব হাওর সরকারের চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে। কার্যকরী হাওর উন্নয়ন বোর্ড গঠনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অগ্রগতি সচল রেখে হতদরিদ্র্য স্থানীয় মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব।
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৭টি জেলা অর্থাৎ কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মিলে হাওরাঞ্চলের অবস্থান। যার আয়তন ২৫ হাজার বর্গকিলোমিটার। বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুসারে দেশে মোট ৪১৪টি এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসাব অনুসারে ৪২৩টি হাওর রয়েছে। এর মধ্যে সর্বাধিক সুনামগঞ্জে ১৩৩টি, কিশোরগঞ্জে ১২২টি, নেত্রকোনায় ৮০টি, সিলেটে ৪৩টি, হবিগঞ্জে ৩৮টি, মৌলভীবাজারে ৪টি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩টি। হাওরাঞ্চলের জনসংখ্যা প্রায় ২ কোটিরও ওপরে। এখানকার প্রায় ৯০ ভাগ জনগোষ্ঠী কৃষিকাজ করে। বাকি ১০ ভাগের ৫ ভাগ মৎস্য চাষ আর ৫ ভাগ ব্যবসা, চাকরি ও অন্যান্য কাজে নিয়োজিত। বছরে প্রায় তিন লাখ টন ধান উৎপাদন করে দেশের খাদ্য চাহিদা পূরণ করে থাকে হাওর। আর বর্ষার ছয় মাস অনাবাদি হিসেবে পড়ে থাকে এ বিপুল সম্ভাবনাময় জমি। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের পতিত জমি এবং হাওরাঞ্চলের জলাবদ্ধ একফসলি জমিকে দুই বা তিনফসলি জমিতে পরিণত করতে পারলে বছরে ৫০ লাখ টন এবং বিস্তীর্ণ জলমগ্ন এ হাওরকে চাষোপযোগী করার পাশাপাশি জলাবদ্ধ সহিষ্ণু ধানের জাত উদ্ভাবন করা গেলে বছরে আরও ৫ লাখ টন বাড়তি খাদ্য উৎপাদন সম্ভব হবে। খাদ্য নিশ্চয়তার পাশাপাশি দেশের হাওরগুলো মাছের অভাব পূরণ করে চলেছে। বিভিন্ন তথ্যে জানা গেছে, বাংলাদেশে ২৬০ প্রজাতির মাছের মধ্যে হাওরগুলোতে ১৩০ প্রজাতির মাছ পাওয়া যেত। তবে গত প্রায় এক দশকে এসব মাছের মধ্যে প্রায় ৬২ প্রজাতিই প্রায় বিলুপ্ত। বিভিন্ন কারণে হাওরে দিন দিন মাছ লুপ্ত হচ্ছে। অধিকাংশ খালবিল, নদনদীসহ হাওর এলাকা ভরাট হওয়ায় একদিকে মাছের দেশীয় প্রজাতি হারিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে মৎস্যজীবীদের জীবন-জীবিকা বিপন্ন হয়ে পড়ছে। এ অবস্থায় ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে এ এলাকার জলাশয়গুলোর নাব্য ফিরিয়ে এনে নদীর স্রোত ও গতিবেগ বৃদ্ধি করা জরুরি। হাওরাঞ্চলের প্রায় ২ লাখ হেক্টর কৃষিজমি চার থেকে ছয় মাস পর্যন্ত পানিতে নিমজ্জিত থাকে। অবকাঠামোগত উন্নয়নে এসব প্লাবন ভূমিতে মাছের চাষ করা সম্ভব। এতে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিসহ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দেশের অর্থনীতিতে বিপুল সম্ভাবনা জাগিয়ে তোয়া যায়।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কর্মসংস্থানসহ সর্বসুবিধাবঞ্চিত হাওরাঞ্চলের জীবনমান অত্যন্ত কঠিন ও কষ্টকর। সীমাহীন সম্ভাবনা ও অঢেল সম্পদে ভরপুর পিছিয়েপড়া এ জনপদ প্রায় সব ক্ষেত্রেই অবহেলিত। সম্ভাব্য সবকিছু থাকা সত্ত্বেও যুগ যুগ ধরে হাওরাঞ্চল গুরুত্বহীন অব্যবস্থাপনার অনগ্রসরমান অবস্থায় পতিত। দেশকে দুই হাত ভরে দিয়েও দরিদ্রতাই তাদের সর্বশেষ পুঁজি। দুর্গম এলাকার এ সংগ্রামী মানুষ দুর্যোগ-দুর্বিপাকে দুর্বিষহ জীবন পার করলেও হাওরে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশের প্রতি যথেষ্ট অমনোযোগী স্বার্থপরতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্র যদি হাওরের অপার সম্ভাবনা ও সুযোগকে কাজে লাগায়, তাহলে একদিকে যেমন হাওরবাসী উপকৃত হবে, তেমনি দেশ অর্থনীতিতে আরও সমৃদ্ধিশালী অগ্রসরমান হবে। হাওরই হতে পারে আরেক অর্থনৈতিক অঞ্চলের উপযুক্ত পরিবেশ। এটা শুধু কথার কথাই নয়, হাওর তার রূপ-গুণ ও কর্ম বিস্তীর্ণতায় তা দেখিয়ে যাচ্ছে।
অসীম সম্ভাবনা বুকে ধারণ করে জেগে আছে হাওর। নদীনালা ও খালবিলবেষ্টিত হাওরাঞ্চল হাঁস পালনের জন্য যথেষ্ট উপযোগী স্থান। হাওরে বেঁচে থাকা শামুক, ঝিনুক ও জলজ কীটপতঙ্গসহ প্রাকৃতিক খাদ্য খেয়ে বেড়ে উঠবে হাঁস। তাতে হাওরের বেকারত্ব ঘোচানো অনেকটা সম্ভব হবে। হাওরাঞ্চলখ্যাত সাতটি জেলায় ঝিনুক চাষ করে প্রাকৃতিক সম্পদ মুক্তা উৎপাদন করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সম্ভাবনাও উজ্জ্বল। বৃক্ষশূন্য হাওরাঞ্চলের উঁচু পাড়, বেড়িবাঁধ, কান্দা ও খাস পতিত জমিতে মিঠা পানি সহনীয় গাছ রোপণ করে প্রকৃতি সহায়ক বনায়ন সৃষ্টি করা যেতে পারে। এতে পাখিদের নিরাপত্তায় অভয়ারণ্য সৃষ্টিসহ আয়ের পথ সুগম হবে। অল্প সুদে ঋণ দিয়ে হাওরাঞ্চলের মানুষকে পোলট্রি ফার্ম, মৎস্য খামার ও ভাসমান সবজি চাষসহ শুষ্ক মৌসুমে প্রাণী খাদ্য উপযোগী কাঁচা ঘাসে পরিপূর্ণ হাওরের বিশাল চারণভূমিতে অনায়াসেই দুগ্ধ খামার, মহিষের খামার, ছাগলের খামার গড়ে তুলতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। অন্যদিকে হাওরের মিঠা পানি প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে বাজারজাত করে মোটা অঙ্কের অর্থ প্রাপ্তির অপার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু কারও সেদিকে নজর নেই। হাওরে এসব উজ্জ্বল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এখানকার মানুষ সর্বদা অভাব-অনটনে দিন পার করছে।
হাওর সৌন্দর্যের লীলাভূমি। বর্ষা ও হেমন্তে অপরূপ সাজে সজ্জিত হাওর দুই হাত বাড়িয়ে পর্যটককে কাছে টানে। বর্ষাকালে পানিতে আবদ্ধ অলস হাওরবাসীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে পর্যটন সম্ভাব্য হাওর। কিন্তু এখন পর্যন্ত হাওরাঞ্চলে পর্যটকদের জন্য তেমন কোনো অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা হয়নি। যাতে পর্যটকদের থাকা, খাওয়া, নিরাপত্তাসহ অন্যান্য অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। হাওরবাসীর জন্য নয়, দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য হলেও হাওর এলাকায় পর্যটন সুবিধা বৃদ্ধি করে নতুন নতুন পর্যটককে ভ্রমণে উৎসাহিত করতে হবে।
ভাটিখ্যাত সুনামগঞ্জের হাওরপাড়ের মানুষ হিসেবে খুব কাছ থেকে দেখতে পাই সেখানকার পীড়িত মানুষের দুঃখ-দুর্দশা। হাওরের হেমন্ত বর্ষার অপরূপ দৃশ্য যেমন নিজেকে তুষ্টির তেপান্তরে নিয়ে যায়, তেমনি হাওর অসহায় জনযন্ত্রণা আমায় ব্যাপক তাড়িত করে। দেশের প্রধান আহার্য বস্তু ভাত ও মাছের পর্যাপ্ত জোগান এবং সম্পদ সম্ভাবনায় সদা জাগ্রত হাওর বরাবরই উপেক্ষিত, অবহেলিত, নিপীড়িত। দেশকে উপকৃত বিশালতা আর বিপুল সম্ভাবনা সুযোগকে কাজে লাগিয়ে হাওরবাসীর কল্যাণে এগিয়ে আসতে হবে। মনে রাখা ভালো, এখানে শুধু হাওর এলাকার স্বার্থই জড়িত নয়, দেশকে এগিয়ে নেওয়ার অপার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নাক জাগিয়ে বসে আছে। পরিকল্পিত হাওর উন্নয়ন এবং টেকসই কার্যকরী বোর্ড গঠনের মাধ্যমে হাওরের সব সমস্যা দূরীকরণসহ অসীম সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। তাহলে হাওর ও দেশ দুটোই উপকৃত হবে। 

বিশ্বজিত রায়
সাংবাদিক ও কলামিস্ট

[email protected]