আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১১-১০-২০১৯ তারিখে পত্রিকা

সেনেগালে হোঁচট খেল নেইমারের ব্রাজিল

স্পোর্টস ডেস্ক
| খেলা

মাত্র ২৭ বছর বয়সে ব্রাজিলের জার্সিতে সেঞ্চুরি ম্যাচ খেলার স্বাদ পেলেন নেইমার। তবে তার এমন অনন্য মাইলকের ম্যাচটি জয়ে রাঙাতে পারেনি সেলেসাওরা। গতকাল বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হওয়া সেনেগালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচটি ১-১ এ ড্রয়ের স্বস্তি নিয়ে শেষ করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
সিঙ্গাপুর জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরুটা কী দুর্দান্তই না হয়ে ছিল ব্রাজিলের। ম্যাচের মাত্র ৯ মিনিটের মাথায় দলকে এগিয়ে দিয়ে ছিলেন তারকা প্লেমেকার রবার্তো ফিরমিনো। কিন্তু দুরন্ত সূচনার রেশটা ধরে রাখতে পারেনি তারা। তাই তো প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে (৪৫+১ মিনিটে) সেনেগালকে সমতায় ফেরান ফারমারা দিয়েদহিউ। বৃহস্পতিবার সেনেগালের বিপক্ষে শুরু থেকেই বলের দখল রাখে ব্রাজিল। এর ফল পেতে দলটির খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি। ম্যাচের নবম মিনিটে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে দেন ফিরমিনো। সে সময় এ তারকা প্রতিপক্ষের ডি বক্সের ডান দিকে জেসুসের বাড়ানো বল ধরে ডান পায়ের আলতো টোকায় জালে জড়িয়ে আনন্দে মাতেন। এদিকে ভাগ্য ভালো হলে ম্যাচের ১৬তম মিনিটেই ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারত ব্রাজিল। কিন্তু দানি আলভেজের ক্রসে ফিরমিনো ঠিকমতো পা ছোঁয়াতে পারেননি। 
সমতায় ফিরতে মরিয়া সেনেগাল কিন্তু ২০তম মিনিটে দারুণ সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু সে সময় এভারটনের ইদ্রিসা গুয়াইয়ির দূরপাল্লার জোরাল শট ব্রাজিলের গোল পোস্টের পাশ দিয়ে চলে যায়। ২৭তম মিনিটে নেইমার ঝলক দেখান। সে সময় তার সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় গোলের সুযোগও তৈরি করেছিলেন ফিলিপে কৌতিনহো। কিন্তু বল জালে জড়ানোর পরিবেশ তৈরি করেই কৌতিনহো পড়েন অফসাইডের ফাঁদে।  তবে বিরতির আগে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাস্পিয়নদের হতাশায় ডুবিয়ে সমতায় ফেরে সেনেগাল। ইনজুরি সময়ে পেনাল্টি থেকে দলটির হয়ে গোল করেন ফারমারা দিয়েদহিউ। ৪৫তম মিনিটে বাঁম প্রান্ত দিয়ে ব্রাজিলের ডি বক্সে ঢুকছিলেন সাদিও মানে। কিন্তু তাকে পেছন থেকে টেনে ধরেন দানি আলভেজ ও মার্ককুইয়েন্স। এক পর্যায়ে ডি বক্সের মধ্যে ফেলে দেন তারা। যে কারণে রেফারি দেন স্পট কিকের বাঁশি। সে সুযোগে সেনেগালের সমতায় ফেরার গোল এনে দেন ফারমারা ডাইডো। বিরতির পর আক্রমণ-পাল্টাআক্রমণে চলে ব্রাজিল-সেনেগালের লড়াই। এ অর্ধে এগিয়ে যাওয়ায় প্রথম সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। কিন্তু ম্যাচের ৫০তম মিনিটে ৩০ গজ দূর থেকে পাওয়া ফ্রি কিক থেকে গোল আদায় করে নিতে পারেননি ক্যাসেমিরো। তার নেওয়া শট সহজেই ধরে ফেলেন সেনেগাল গোলরক্ষক। তবে এগিয়ে যাওয়ায় দারুণ সুযোগ ব্রাজিল পেয়েছিল একবারের ম্যাচের শেষ মুহূর্তে। কিন্তু সে সময় নেইমার হতাশ করেন। ৮৪তম মিনিটে এ তারকা সতীর্থের কাছ থেকে দারুণভাবে বল নিজ আয়ত্তে নেন। এরপর দারুণ শট নেন। কিন্তু দুর্দান্ত সেভ করেন  সেনেগাল গোলরক্ষক গোমেজ। এরপর আর কোনো সুযোগ পায়নি পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।