আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১১-১০-২০১৯ তারিখে পত্রিকা

পর্যটকদের জন্য খুলল কাশ্মীরের দরজা

সরকারের পদক্ষেপকে ‘প্রহসন’ বললেন ব্যবসায়ীরা

আলোকিত ডেস্ক
| আন্তর্জাতিক

দুই মাসেরও বেশি সময় পর পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হল ভূ-স্বর্গের দরজা। ভারতশাসিত জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদের ৬৪ দিন পর বৃহস্পতিবার পর্যটকদের জন্য বিধিনিষেধ তোলা হলো। গেল সোমবার প্রশাসনিক বৈঠক করে পর্যটকদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল সত্যপাল সিংহ। বৃহস্পতিবার ওই সিদ্ধান্তই কার্যকর হলো। ভারত সরকারের তরফে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা রদের সিদ্ধান্ত জানানোর আগে, আগস্ট মাসের শুরুতে পর্যটকদের উপত্যকা খালি করে দিতে বলা হয়। সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল ওই সময়। এরপর ৩৭০ ধারা বাতিল করে ভারত সরকার। উপত্যকায় বাতিল হয় টেলিফোন, ইন্টারনেট পরিষেবা। গ্রেপ্তার হন ৪০০’র বেশি রাজনৈতিক নেতা। এ পরিস্থিতির কারণেই জম্মু-কাশ্মীর গেল দুই মাসের বেশি সময় পর্যটকশূন্য। 
সরকারি সূত্রের খবর, প্রথম সাত মাসে উপত্যকায় ৫ লাখের বেশি পর্যটক এসেছিলেন। অমরনাথ যাত্রা স্থগিত হওয়ার আগেই এসেছিলেন ৩ লাখ ৪০ হাজার তীর্থযাত্রী। কিন্তু হঠাৎ করেই পর্যটকের আনাগোনা নিষিদ্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়েন জম্মু-কাশ্মীরের ব্যবসায়ীরা। গেল সোমবার জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বসেন রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক। সেখানেই ঠিক হয়, বিশেষ মর্যাদা লোপের ঠিক আগে জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের সে রাজ্য ছাড়ার যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। বুধবার উপত্যকার বেশ কিছু স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হয়েছে। যদিও স্কুল-কলেজের বাইরে সেনা মোতায়েন করা রয়েছে। কাশ্মীরে পর্যটকদের যাতায়াতের ওপরে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে কার্যত ‘প্রহসন’ বলে দাবি করলেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, কাশ্মীরে ইন্টারনেটসহ পরিষেবা এবং চলাচলের ওপরে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে ৬৫ দিন ধরে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারাই বিপাকে পড়েছেন। এ পরিস্থিতিতে পর্যটকদের কাশ্মীর যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। শ্রীনগরের হোটেল ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা নাজির আহমেদ গাড়ার মতে, বিশ্বকে ফাঁকি দিতে এ প্রহসন করা হয়েছে। আনন্দবাজার