আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১১-১০-২০১৯ তারিখে পত্রিকা

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে মসুর ডালে

আলোকিত ডেস্ক
| শেষ পাতা

মসুর ডাল না হলে ভাত খেতে পারেন নাÑ আমাদের দেশে এমন মানুষের সংখ্যা অনেক। শুধু আমাদের দেশেই নয়, পৃথিবীজুড়েই এটি খুব জনপ্রিয় একটি খাবার। মসুর ডাল দিয়ে তৈরি করা হয় নানা রকমের পুষ্টিকর ও মুখরোচক খাবার। যেমন ডালের চচ্চড়ি, ডালনা, নিরামিষ, পিঁয়াজু, ডালপুরি, ডালের স্যুপ, আম ডাল, পুঁই ডাল ইত্যাদি। মসুর ডাল প্রোটিনের আধার বলে একে মাংসের বিকল্প হিসেবেও ধরা হয়। মসুর ডাল শুধু সুস্বাদুই নয়, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ। যেমন খনিজ পদার্থ, আঁশ, খাদ্যশক্তি, আমিষ, ক্যালশিয়াম, লৌহ, ক্যারোটিন, ভিটামিন ‘বি-২’ শর্করা ইত্যাদি। নিয়মিত মসুর ডালের মতো উচ্চফাইবারসমৃদ্ধ খাবার খেলে হার্টের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। তাছাড়া মসুর ডাল ফলেট এবং ম্যাগনেশিয়ামের একটা বিরাট উৎস, যা হার্টকে আরও বেশি তারুণ্য পেতে সহায়তা করে। ম্যাগনেশিয়াম শরীরের সর্বত্র রক্ত, অক্সিজেন এবং পুষ্টি প্রবাহ করতে সাহায্য করে। মসুর ডালে উচ্চমাত্রার এটা দ্রবণীয় ফাইবার থাকে, যা রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমিয়ে ধমনিকে পরিষ্কার রাখে। এটি শরীরে চিনির পরিমাণ কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে, তাছাড়া এটি উচ্চরক্তচাপ কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মসুর ডাল হজমে সহায়তা করে। এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধের জন্য এটি একটি আদর্শ খাবার। বাড়তি ওজন কমাতে চাইলে ভাতের পরিমাণ কমিয়ে তার বদলে নিয়মিত ডাল খেলেÑ এতে ক্ষুধা হ্রাস পাওয়াসহ ভরাপেটের অনুভূতি থাকবে দীর্ঘক্ষণ। এছাড়া মসুর ডাল খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে বাড়িয়ে দেয় ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ। ডালে একসঙ্গে আয়রন ও ফলেট দুটিই পাওয়া যায়। গর্ভবতী মায়েদের জন্য এ দুটি উপাদান খুব প্রয়োজনীয়। সেই সঙ্গে আয়রন রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। সূত্র : ওয়েবসাইট