আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ২০-০১-২০২০ তারিখে পত্রিকা

ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস, আসছে শৈত্যপ্রবাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
| শেষ পাতা

ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দুই-এক জায়গায় হালকা অথবা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। সোমবারের পর থেকে তাপমাত্রা কমতে থাকবে। সেটা শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিতে পারে। এমনটাই জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তর। 

রোববার আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক গণমাধ্যমকে জানান, সোমবার থেকে ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দুই-এক স্থানে হালকা অথবা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। সোমবারের পর থেকে কমতে পারে তাপমাত্রা, যা শৈত্যপ্রবাহেও রূপ নিতে পারে।

এদিকে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় 
রোববার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে দেশের অন্য অঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আবদুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, কুয়াশা ও মেঘ কম থাকায় তাপমাত্রা বেড়ে গেছে। তবে এরই মধ্যে মেঘের একটি প্রবাহ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে প্রবেশ করেছে। তা আরও বিস্তৃত হয়ে ওই এলাকার কিছু কিছু স্থানে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি নামাতে পারে। ঢাকাসহ দেশের বেশিরভাগ এলাকায় আকাশ আংশিকভাবে মেঘলা থাকতে পারে। মঙ্গলবার থেকে আবারও তাপমাত্রা কমে শীত নামতে পারে। ২ দিনে রাতের শেষ দিকে তাপমাত্রা কমতে পারে। তার পরবর্তী ৫ দিনে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। উত্তর/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০ কিলোমটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
রাজশাহীতে বৃষ্টিতে বেড়েছে শীতের প্রকোপ : রাজশাহী ব্যুরো জানায়, আগের দিন সকাল থেকেই আকাশে ছিল ঝলমলে রোদ। তাপমাত্রা বেড়েছিল, কমেছিল শীতের তীব্রতাও। কিন্তু রোববার ভোর থেকে রাজশাহীর আকাশে ঘন কুয়াশা। কমে যায় তাপমাত্রাও। সকাল ১০টার দিকে বৃষ্টিও শুরু হয়েছে। এতে পদ্মাপাড়ের মানুষের জীবনে দুর্ভোগ নেমে আসে। এ বৃষ্টির কারণে দুর্ভোগে পড়েন অফিসগামী মানুষ। ফুটপাতে যারা হরেক ধরনের শীতের কাপড় খোলা আকাশের নিচে বিক্রি করছিলেন তাদের দুর্ভোগ যেন আরেকটু বেশি। তড়িঘড়ি করে দোকান গুটিয়ে নিতে হয় তাদের। এই শীতে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের অনেকেই বৃষ্টিতে ভিজে গিয়ে পড়ে বিপাকে।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সকাল ১০টা ২৫ মিনিট থেকে ১১টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। এ সময় ২ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এরপর বৃষ্টি থেমে গেলেও দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে ছিল চারপাশ। দেখা মেলেনি সূর্যের। ফলে শীত অনুভূত হচ্ছে বেশি। আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক লতিফা হেলেন জানান, রোববার সকালে রাজশাহীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন শনিবার সর্বনিম্ন ছিল ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পারদ উঠেছিল ২৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়াবিদ লতিফা বলেন, ৬ জানুয়ারি রাজশাহীতে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৫ জানুয়ারির পর তাপমাত্রা একটু একটু করে বাড়ছিল।