logo
প্রকাশ: ১২:০০:০০ AM, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৬
যশোরে টপ সয়েল যাচ্ছে ইটভাটায়
যশোর সংবাদদাতা

যশোরে প্রতি মৌসুমে প্রায় ১০ হাজার ট্রাক জমির উপরের স্তরের মাটি (টপ সয়েল) পরিবহন করে নিয়ে যায় ইটভাটায়। এ মাটির তৈরি ইট পোড়াতে ১ হাজার টন কয়লার পাশাপাশি পোড়ে জ্বালানি কাঠও। সরকার ২০২০ সাল থেকে টপ সয়েল ইটভাটায় ব্যবহার নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নিচ্ছে। যশোরের জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক প্রকল্প পরিচিতি কর্মশালায় পোড়া ইটের বদলে পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে ভবন ও স্থাপনা নির্মাণের জন্য আহ্বান জানানো হয়। পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী তৈরি ও এর ব্যবহার সংক্রান্ত সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘প্রমোটিং সাসটেইনেবল বিল্ডিং ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালার আয়োজকরা জানান, যশোর জেলায় ১৬৮টি ইটভাটা রয়েছে। এ ভাটা থেকে প্রতি মৌসুমে ৫০ থেকে ৬০ লাখ ইট তৈরি হয়। ইট বানাতে মৌসুমে প্রায় ১০ হাজার ট্রাক জমির টপ সয়েল ব্যবহার করা হয়। এ ইট পোড়াতে প্রায় ১ হাজার টন কয়লা ব্যবহার হয়। পাশাপাশি জ্বালানি কাঠও পুড়ে ইটভাটায়। টপ সয়েল ইটভাটায় চলে যাওয়ায় জমি উর্বরতা হারাচ্ছে। কাঠ ও কয়লা পুড়িয়ে প্রচুর পরিমাণে গ্রিনহাউস গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ফলে ইটভাটা নানাভাবে পরিবেশের ক্ষতি করছে।
হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এইচবিআরআই) পরিচালক মোঃ আবু সাদেক বলেন, এরই মধ্যে প্রতিবেশী ভারত ও চীনসহ বিভিন্ন দেশ ইটভাটায় জমির টপ সয়েল ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। ২০২০ সালে আমাদের দেশেও ইটভাটায় জমির টপ সয়েল ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হবে। এখানকার অধিকাংশ ইটভাটা পরিবেশবান্ধব নয়, নয় ভাটায় তৈরি ইটও। পৃথিবীর কোনো উন্নত দেশেই স্থাপনা নির্মাণে পোড়া মাটির ইট ব্যবহার করা হয় না। আমাদেরও এ ধারা অনুসরণ করতে হবে। ভবন নির্মাণ করতে হবে ননফায়ার ব্রিকস, ফেরোসিমেন্টসহ বিভিন্ন পরিবেশবান্ধব উপকরণ দিয়ে। এ পদ্ধতিতে নির্মিত ভবন টেকসই এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়। এতে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ নেই বললেই চলে। উপরন্তু এতে ভবন নির্মাণ ব্যয় ৩০ শতাংশ কমে আসে।

সম্পাদক ও প্রকাশক : কাজী রফিকুল আলম । সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫ থেকে প্রকাশিত এবং প্রাইম আর্ট প্রেস ৭০ নয়াপল্টন ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক বিভাগ : ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৯১১০৫৭২, ৯১১০৭০১, ৯১১০৮৫৩, ৯১২৩৭০৩, মোবাইল : ০১৭৭৮৯৪৫৯৪৩, ফ্যাক্স : ৯১২১৭৩০, E-mail : info@alokitobangladesh.com, alokitobd7@gmail.com, alokitobdad@gmail.com