logo
প্রকাশ: ১২:০০:০০ AM, শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৮
মেয়াদ শেষ, তবু চলছে টোল আদায়
জনস্বার্থে টোল আদায় বন্ধ করুন

দেশের বিভিন্ন সেতুতে টোল আদায়ে চলছে এক ধরনের নৈরাজ্য। অনেক জায়গায়ই মানা হচ্ছে না নীতিমালা, কোথাও কোথাও আবার টোল আদায়ের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও নিয়মিত টোল আদায় করা হচ্ছে। আলোকিত বাংলাদেশে প্রকাশ, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর নির্মিত কাঞ্চন সেতুর টোল আদায়ের নির্ধারিত সময়সীমা পার হলেও বন্ধ হয়নি টোল আদায় প্রথা। নিয়মবহির্ভূতভাবে ব্যস্ততম এ সেতুর টোলপ্লাজা থেকে প্রতিদিন পরিবহন থেকে কমপক্ষে ১৫ লাখ থেকে ১৬ লাখ টাকার টোল আদায় করছে নারায়ণগঞ্জ সওজ বিভাগ। অথচ ২০০৬ সালের অক্টোবরে সেতুটি উদ্বোধনের সময় ১০ বছর পর্যন্ত টোল আদায় করার কথা বলা হয়েছিল। সে অনুযায়ী ২০১৬ সালে টোল আদায়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও টোল আদায় এখনও চলছে। কেন এমনটা ঘটছে তা খতিয়ে দেখা দরকার। 
উল্লেখ্য, এরই মধ্যে টোল বুথের সামনের ব্যারিয়ার, যানবাহনের শ্রেণি অনুযায়ী নির্ধারিত ফি প্রদর্শন মেশিনগুলো অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে। সেতু ও সেতুসংলগ্ন রাস্তাঘাট মেরামতে নেই যথাযথ উদ্যোগ। অথচ উদ্বোধনকালীন থেকে বর্তমানে এ রুটে যান চলাচল বৃদ্ধি পেয়েছে ২৫ গুণ। দিনে অন্তত ১৪  থেকে ১৫ হাজার যানবাহন এ রুটে চলাচল করে, যার মধ্যে হাইট্রলি, বড় ট্রেইলার, কাভার্ডভ্যান আর ট্রাকের সংখ্যা সর্বাধিক। ঢাকা-বাইপাস রুটে যানবাহনের বাড়তি চাপ আর টোল আদায়ে ধীরগতির কারণে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। এতে নিয়মিত ভোগান্তিতে পড়ছেন পণ্যবাহী পরিবহন চালকসহ যাত্রী সাধারণ। 
সেতু যদি উন্নয়নেরই বাহন হয়, তাহলে জনসাধারণকে আজীবন সেই উন্নয়নের মাশুল প্রদান করতে হবে কেন? সওজের দাবি, সরকারের সিদ্ধান্তেই টোল আদায় করা হয় সেতু থেকে। উল্লেখ্য, শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর রাজধানী ঢাকায় প্রবেশের জন্য কাঁচপুর সেতু, ডেমরা-তারাব সেতু, মুড়াপাড়া-ইছাখালী সেতু ও কাঞ্চন সেতু রয়েছে। এসব সেতুর মধ্যে শুধু কাঞ্চন সেতুতেই মেয়াদোত্তীর্ণের পরও টোল আদায় করা হচ্ছে। বোঝা যাচ্ছে, কোনো একটি পক্ষ এখান থেকে বিশেষ সুবিধা আদায় করে নিচ্ছে। অচিরেই এখানকার টোল গ্রহণ বন্ধ করা উচিত। 

সম্পাদক ও প্রকাশক : কাজী রফিকুল আলম । সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫ থেকে প্রকাশিত এবং প্রাইম আর্ট প্রেস ৭০ নয়াপল্টন ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক বিভাগ : ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৯১১০৫৭২, ৯১১০৭০১, ৯১১০৮৫৩, ৯১২৩৭০৩, মোবাইল : ০১৭৭৮৯৪৫৯৪৩, ফ্যাক্স : ৯১২১৭৩০, E-mail : [email protected], [email protected], [email protected]