logo
প্রকাশ: ১২:০০:০০ AM, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৮
শীতের আগাম সবজি বিক্রি
চাষিরা যেন ন্যায্যমূল্য পান

কয়েক মাস পরই আসছে শীত, অথচ এ নিয়ে সবজি চাষিদের প্রস্তুতি বেশ আগে থেকে। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিম, মুলা, বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, ঢ্যাঁড়শ, লালশাক, পালংশাকসহ শীতের নানা সবজির আগাম চাষ শুরু হয়েছে। শীতের আগাম সবজি এরই মধ্যে বিক্রি করে কেউ কেউ ভালো দামও পাচ্ছেন। আলোকিত বাংলাদেশে প্রকাশ, অনুকূল পরিবেশ থাকায় চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন মাঠে আগাম অটোজাতের শিমের আবাদ করে ভালো ফলন এবং ভালো বাজার পেয়ে খুশি চাষিরা। এরই মধ্যে শিম বিক্রি করে অনেক চাষি আর্থিকভাবে বেশ লাভবান হয়েছেন। ফলে স্বল্প সময়ে টাকার মুখ দেখতে পাওয়ায় দীর্ঘমেয়াদি অর্থকরী ফসলের চাষাবাদের চেয়ে সবজি আবাদের দিকে ঝুঁঁকছে চাষিকুল। 
উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গায় মোট জমির পরিমাণ ৯৭ হাজার ৫৮২ হেক্টর। এর মধ্যে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৭ হাজার হেক্টর। আবহাওয়া তুলনামূলক অনুকূল এবং উঁচু সমতল জমি হওয়ায় জমিগুলো সবজি চাষের উপযোগী। তাই প্রতি বছর কোনো না কোনো ধরনের আগাম সবজির চাষ করে থাকেন জেলার কৃষক। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৭৬৭ হেক্টর জমিতে আগাম অটোজাতের শিম চাষ করেছেন চাষিরা। এর মধ্যে ছিল আলমডাঙ্গা উপজেলায় ৭৫ হেক্টর, দামুড়হুদা উপজেলায় ৩৫২ হেক্টর, জীবননগর উপজেলায় ১২৫ হেক্টর এবং সদর উপজেলায় ২১৫ হেক্টর জমি। চলতি বছর বৃষ্টিপাত থেমে থেমে হওয়ায় অসময়ে শিমের আবাদ বেশ ভালো হয়েছে।
শীত মৌসুমকে সামনে রেখে এভাবে সবজির চাষ এবং সবজি বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া নিঃসন্দেহে সুসংবাদ। তবে খেয়াল রাখতে হবে, চাষি ও ভোক্তাদের ঠকিয়ে যেন মধ্যস্বত্বভোগীরা পকেট ভারি করতে না পারেন। প্রায়ই দেখা যায়, পাইকারি বাজারে সবজি বিক্রি করতে গিয়ে হতাশ হয়ে পড়েন চাষিরা। কারণ উপযুক্ত মূল্য তারা পান না। আবার ভোক্তারাও কম মূল্যে সবজি ক্রয় করতে পারেন না। সবচেয়ে সমস্যা হয়, মাঠের মূল্য আর বাজার মূল্যের পার্থক্য সৃষ্টি হলে। যার জন্য মূলত দায়ী মধ্যস্বত্বভোগীরা। এর বিরুদ্ধে সরকারের কৃষি ও বিপণন অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের অভিযান পরিচালনা করা উচিত। মাঠমূল্য আর বাজার মূল্যের মধ্যে যেন ভারসাম্য বজায় থাকে, চাষিরা কী মূল্য পাচ্ছেন, আর কোন মূল্যে ভোক্তারা ক্রয় করছেন, তা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদারকি করা উচিত। পাশাপাশি মধ্যস্বত্বভোগী ও মুনাফালোভী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের লাগাম টেনে ধরার ব্যবস্থা করা জরুরি। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ ব্যাপারে এখনই সচেতন হওয়া প্রয়োজন। 

সম্পাদক ও প্রকাশক : কাজী রফিকুল আলম । সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫ থেকে প্রকাশিত এবং প্রাইম আর্ট প্রেস ৭০ নয়াপল্টন ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক বিভাগ : ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৯১১০৫৭২, ৯১১০৭০১, ৯১১০৮৫৩, ৯১২৩৭০৩, মোবাইল : ০১৭৭৮৯৪৫৯৪৩, ফ্যাক্স : ৯১২১৭৩০, E-mail : [email protected], [email protected], [email protected]