logo
প্রকাশ: ১২:০০:০০ AM, শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৮
ঋণখেলাপিরা নির্লজ্জ : মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ঋণখেলাপিদের মনোভাবে পরিবর্তন আসেনি। তারা ঋণ নিয়ে আর ফেরত দিতে চান না। তারা নির্লজ্জ। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ব্যবসায়ীদের সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশের (আইবিএফবি) প্রেসিডেন্ট হুমায়ুন রশীদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেওয়ার জন্য নভেম্বরে একটি প্রতিবেদন তৈরি করা হবে বলেও জানান। এছাড়া মন্ত্রী কোটা আন্দোলন নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল সরকারের জন্য কোনো চ্যালেঞ্জ নয়। ঋণখেলাপিদের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ঋণখেলাপি হওয়াটাই এক ধরনের লজ্জা। যদিও এ লজ্জাটা আমাদের নেই। এটা খুব দুঃখজনক বিষয়। অনেকেই মনে করেন, আমি যে ঋণ নিয়েছি; সেটা পরিশোধ না করলেও চলবে। প্রায় ৩০ বছর আগে আমাকে এক ঋণখেলাপি বলেছিলেন, এ ঋণটা পেতে আমার অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। টাকা খরচ করতে হয়েছে। এটা আমি ফেরত দেব না। আমি জানি না এখনও এ মনোভাব ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে আছে কিনা। তবে আমার মনে হয়, ঋণ পাওয়াটা এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। আমরা অনেক ধরনের উদ্যোগ নিয়েছি এসব ব্যাপারে। খেলাপি ঋণ আদায়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমি খেলাপি ঋণ কীভাবে আদায় করা যায়, এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করছি। আগামী নভেম্বরে প্রতিবেদনটি আমার উত্তরসূরিদের দিয়ে যাব। এটি আমি নিজেই তৈরি করব। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক বিভাগের কর্মকর্তাদের সাহায্য নিয়ে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। ওই প্রতিবেদনে একটি বিষয় উল্লেখ থাকবে যে, ১০ শতাংশ খেলাপি ঋণ হলেই অ্যাকশনে যেতে হবে। সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করা হলে সরকার চ্যলেঞ্জের মুখে পড়বে কিনাÑ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল হলে সরকার কোনো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে না। কোটা বাতিল হলে যারা এখন কোটা পায়, তারা সবাই চিৎকার করবে। তখন দেখতে হবে, কাদের চিৎকারটা বেশি? কোটা বাতিল যারা চায়, তাদের নাকি কোটার পক্ষে যারা তাদের? আমাদের প্রধানমন্ত্রীর এসেসমেন্ট হচ্ছেÑ কোটা বাতিলের পক্ষে চিৎকারটা অত্যন্ত বেশি শক্তিশালী। এবং তার সঙ্গে যখন আমার কথা হয়েছিল তখন আমি বলেছিলাম, অন্তত মেয়েদের জন্য কোটা থাকুক। প্রধানমন্ত্রী তখন আমাকে বলেছিলেন, আমি আগে মেয়েদের কোটাটা বাতিল করব। কারণ, এ কোটা বাতিলের পক্ষে তাদের চিৎকার ছিল সবচেয়ে জোরালো। এ সময় স্বাধীনতাবিরোধীদের সন্তানদের নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী একজন থাকতেই পারে। তার শাস্তিও হতে পারে। কিন্তু তার সন্তান কেন শাস্তি পাবে? কাজেই স্বাধীনতাবিরোধীর কোনো সন্তান শাস্তি পাকÑ এটা কাম্য নয়।

সম্পাদক ও প্রকাশক : কাজী রফিকুল আলম । সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫ থেকে প্রকাশিত এবং প্রাইম আর্ট প্রেস ৭০ নয়াপল্টন ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক বিভাগ : ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৯১১০৫৭২, ৯১১০৭০১, ৯১১০৮৫৩, ৯১২৩৭০৩, মোবাইল : ০১৭৭৮৯৪৫৯৪৩, ফ্যাক্স : ৯১২১৭৩০, E-mail : [email protected], [email protected], [email protected]