logo
প্রকাশ: ১২:০০:০০ AM, রবিবার, ডিসেম্বর ৮, ২০১৯
কষ্টে দিন কাটছে বীরাঙ্গনা রাজিয়ার
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

৩নং সেক্টরের সম্মুখ সমরের বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজিয়া খাতুনের শারীরিক অবস্থা ভালো যাচ্ছে না। আবার পঙ্গু ছেলে সাহেদুলকে নিয়েও কষ্টে আছেন। ছেলের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে পড়েছেন বিপাকে। রাজিয়া খাতুন হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার পুরানবাজারের উবাইাটা গ্রামের মৃত আবদুল হামিদ মহালদারের স্ত্রী। তিনি জানান, ১৯৭১ সালে তার বয়স ছিল ১৮ বছর। যুদ্ধের সময় তিনি বাবার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় থাকতেন। তখনও তার বিয়ে হয়নি। বৈশাখ মাসের ১২ তারিখ বাড়ির পুরুষরা পালিয়ে যান। তখন পাকিস্তানি বাহিনীর ছয় থেকে সাতজন বাড়িতে হামলা চালায় এবং তাকে নির্যাতন করে পার্শ্ববর্তী সেনা ক্যাম্পে নিয়ে যায়। তিন দিন নির্যাতন ভোগের পর তিনি সেখান থেকে পালিয়ে সীমান্ত দিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। পরবর্তীতে তিনি ৩ সেক্টরে মেজর শফি উল্লাহর অধীনে তেলিয়াপাড়া, কাশিমনগর, হরিণখোলাসহ বিভিন্ন স্থানে সম্মুখ সমরে অংশ নেন। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে ত্যাগ করেছি। বিনিময়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু সহজেই মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাইনি। পরবর্তীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডেন্ট মানিক চৌধুরীর কন্যা কেয়া চৌধুরীর চেষ্টায় আমিসহ ছয় বীর নারীকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত করা হয়। মাসে ১২ হাজার টাকা ভাতা পাচ্ছি। সহায়তা বলতে প্রকল্প থেকে একটি ছোট ঘর পেয়েছিলাম। এ অবস্থায় আর্থিক দৈন্যতায় দিনাতিপাত করছি। এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সহযোগিতা চান। 

সম্পাদক ও প্রকাশক : কাজী রফিকুল আলম । সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫ থেকে প্রকাশিত এবং প্রাইম আর্ট প্রেস ৭০ নয়াপল্টন ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক বিভাগ : ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৯১১০৫৭২, ৯১১০৭০১, ৯১১০৮৫৩, ৯১২৩৭০৩, মোবাইল : ০১৭৭৮৯৪৫৯৪৩, ফ্যাক্স : ৯১২১৭৩০, E-mail : [email protected], [email protected], [email protected]