logo
প্রকাশ: ১২:০০:০০ AM, শনিবার, জুন ২১, ২০১৪
স্বাস্থ্য-পুষ্টি
খিচুড়ির পুষ্টিগুণ

দিনের শুরুতেই খালিপেটে অনেকটা সময় কাটালে যথেষ্ট শক্তি তো পাওয়া যায়ই না, বরং নাশতা না খাওয়াকে অভ্যাসে পরিণত করলে জটিল সব অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। এর প্রতিকার হলো, সকালে সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকর নাশতা করা। আর এর জন্য উপযুক্ত একটি খাবার হচ্ছে খিচুড়ি!

খিচুড়ির একটা অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এতে উপস্থিত এসেনশিয়াল এমিনো এসিড। মানুষের শরীরের জন্য উপকারী এসেনশিয়াল এমিনো এসিডগুলো পাওয়ার জন্য আমিষ ও শ্বেতসার দুটোই খেতে হয়। এখানেই রয়েছে খিচুড়ির উপকারিতা। কিছু এমিনো এসিড থাকে চালে। কিছু এমিনো এসিড থাকে ডালে। এ দুটো একসঙ্গে করে খিচুড়ি রান্না করলে মাংস থেকে যে পরিমাণ এমিনো এসিড পাওয়া সম্ভব তার প্রায় সবটাই পাওয়া যায়। আর তার সঙ্গে শর্করা, ভিটামিন এবং খনিজ তো আছেই।

এক প্লেট খিচুড়িতে আছে ১৭৭ ক্যালোরি শক্তি, ৩২.৩ গ্রাম শর্করা, ৮.৪ গ্রাম প্রোটিন, ১.৫ গ্রাম চর্বি। এছাড়াও ক্যালসিয়াম, ভিটামিন-সি, আয়রন এবং অাঁশ রয়েছে খিচুড়িতে।

শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দিতে পারে খিচুড়ি। এছাড়াও বেশ সহজপাচ্য এবং শক্তিদায়ক বলে অসুস্থ এবং দুর্বল মানুষকে খিচুড়ি খেতে দেয়া হয়। বাচ্চাদের পেটে সহজে শক্ত খাবার হজম হয় না বলে তাদের একেবারে নরম করে খিচুড়ি খেতে দেয়া হয়। সুস্থ মানুষের জন্যও খিচুড়ি অন্যান্য খাবারের চেয়ে অনেক বেশি পুষ্টিকর। তাড়াতাড়ি শরীরে শোষিত হয়ে যেতে পারে বলে শক্তি আনতে এর জুড়ি নেই।

 

 

::::imageLeft

সম্পাদক ও প্রকাশক : কাজী রফিকুল আলম । সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫ থেকে প্রকাশিত এবং প্রাইম আর্ট প্রেস ৭০ নয়াপল্টন ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক বিভাগ : ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৯১১০৫৭২, ৯১১০৭০১, ৯১১০৮৫৩, ৯১২৩৭০৩, মোবাইল : ০১৭৭৮৯৪৫৯৪৩, ফ্যাক্স : ৯১২১৭৩০, E-mail : [email protected], [email protected], [email protected]