রাজধানীতে শিমের কেজি ২০০, মাছ-মাংসে পরিবর্তন নেই

প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০২ | অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর বাজারে সবজির দামে স্বস্তি নেই। শীতের আগাম সবজি শিম বিক্রি হচ্ছে কেজি ২০০ টাকা দরে। অন্যদিকে সবচেয়ে কম দামে পাওয়া যাচ্ছে পেঁপে, কেজি ৩০ টাকা। বেশির ভাগ সবজির দাম ৭০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে।

শুক্রবার রাজধানীর রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ সাধারণ সবজিগুলো ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শসা পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। তবে দেশি শসার দাম তুলনামূলক বেশি, কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা।

শিমের দাম সবচেয়ে বেশি। শীতের আগাম এই সবজি কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ৩০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে পেঁপে।

তবে কাঁচা মরিচের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। কয়েক সপ্তাহ আগে কেজি ২০০ টাকা পর্যন্ত ওঠা কাঁচা মরিচ এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যান্য সবজির মধ্যে লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা এবং টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙে ও করলার দাম কেজি ৮০ টাকা। লাউ ৫০ থেকে ৭০ টাকা পিস এবং কচুরমুখি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির পাশাপাশি মুরগি ও ডিমের বাজারেও বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের ডজন ১৫৫ টাকা এবং চারটি ৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও দাম মোটামুটি আগের অবস্থায় রয়েছে। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চাষের শিং মাছ আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং মাঝারি আকারের রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।

বাজারভেদে মাছের দামে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। মাছের আকার, মান এবং জীবিত বা মৃত হওয়ার ওপরও দাম নির্ভর করছে। একই মাছের দাম বাজারভেদে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কম-বেশি হতে পারে। সরবরাহ ও ক্রেতার উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে দিনের বিভিন্ন সময়েও দামের পরিবর্তন হচ্ছে।