
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় টিকটকের জন্য ভিডিও শ্যূটিং শেষে কথিত প্রেমিকের ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক মাদরাসা ছাত্রী। ওই ধর্ষণের ঘটনার পরেই এলাকাবাসী তিনজনকে ধরে পুলিশের সোপর্দ করেছে।
বৃহস্পতিবার ৩ ফেব্রুয়ারী ধর্ষণ মামলার পর তাদেরকে গ্রেফতার দেখানো হয়। তবে পলাতক রয়েছে মূল আসামী। তাদের সকলের বয়স ১৮ এর নিচে। ২ ফেব্রুয়ারী বুধবার রাতে বন্দরের একরামপুর ইস্পাহানী মাঝি গল্লীতে ওই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ধর্ষিতার নানী বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ সহ আরো তিনজনকে অজ্ঞাত করে বন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ১৪ বছর বয়সী কিশোরী স্থানীয় একটি মাদরাসার ছাত্রী।
বন্দর থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা জানান, টিকটক ভিডিও করার জন্য বুধবার বিকেলে কিশোরীকে তার নানীর বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় প্রেমিকসহ ৫ টিকটকার। কলাগাছিয়া ইউনিয়নের সাবদী এলাকায় তারা রাত পর্যন্ত টিকটক ভিডিও শ্যূটিং করে। মাদ্রাসা ছাত্রীকে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইস্পাহানী মাঝির গল্লী এলাকার নির্জন স্থানে নিয়ে কথিত প্রেমিক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের সময় বিল্লুর চার সহযোগী ঘটনাস্থল পাহারা দেয়। এ সময় এলাকাবাসী ধর্ষণের বিষয়টি আচ করতে পেরে তিন সহযোগীকে আটক করে। এ সময় কৌশলে প্রেমিক ও ২ জন পালিয়ে যায়।