তীব্র শীতে কাঁপছে সাতক্ষীরা, তাপমাত্রা নেমেছে ১১.৫ ডিগ্রিতে
প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০৪ | অনলাইন সংস্করণ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

দেশের সর্বদক্ষিণের জেলা সাতক্ষীরায় হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা আরো কম বেশী হতে পারে বলে জানিয়েছেন জেলা আবহাওয়া অফিস।
এদিকে, হাড় কাঁপানো শীত ও হিমেল হাওয়ায় জনজীবনে জবুথবু অবস্থা বিরাজ করছে। প্রচণ্ড শীতে বেকায়দায় পড়েছেন হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ। কনকনে শীত উপেক্ষা করে জীবন বাঁচানোর তাগিদে তারা আয়-রোজগারে বের হচ্ছেন। কেউ মাঠে কৃষি কাজ করছেন, কেউ আবার ভ্যান রিকশা চালাচ্ছেন। জেলায় ছিন্নমূল মানুষের অবস্থা খুবই অসহনীয়। গরম কাপড়ের অভাবে প্রচণ্ড শীত ভোগ করছেন তারা। লতা পাতা দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে অনেকেই শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। যদিও মাঝে মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে শীতার্তদের মাঝে গরম কাপড় বিতরণ করা হচ্ছে। আর এই হাড় কাঁপানো শীতে শিশু ও বয়স্কদের মাঝে শীতজনিত রোগের প্রকোপ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের অফিসার ইনচার্জ জুলফিকার আলী রিপন জানান, আজ সকালে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সাথে বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৮ শতাংশ।
তিনি আরও বলেন, বুধবার সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৮ শতাংশ। সোমবার তাপমাত্রা ছিল ১০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সামছুর রহমান তীব্র শীতে শিশুদের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তাদের শরীরে গরম কাপড় পরিয়ে রাখতে হবে এবং ভোরে তাদের বাহিরে বের করা যাবেনা। বিশুদ্ধ পানি পান করাতে হবে। ঠান্ডা লাগলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বয়স্কদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
