চলন্ত বাসে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, চালকসহ গ্রেপ্তার ৩
প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:০৭ | অনলাইন সংস্করণ
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

যমুনাসেতু-ঢাকা মহাসড়কে চলন্ত বাসে এক কলেজছাত্রীকে রাতভর দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগে বাসের চালক, হেলপারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে মহাসড়কের করটিয়া আন্ডারপাস এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— বাসের চালক মো. আলতাফ (২৫), হেলপার মো. সাগর (২৪) ও চালকের সহযোগী মো. রাব্বি (২১)।
মধুপুর-এলেঙ্গা হাইওয়ে থানার এসআই মাহবুবুর রহমান জানান, মহাসড়কে দায়িত্ব পালনের সময় তারা করটিয়ার একটি হোটেলে নাস্তা করছিলেন। যাত্রীবাহী বাসের চালক-হেলপাররাও এক নারীসহ সেখানে নাস্তা করছিল। পুলিশ দেখে চালক-হেলপাররা কলেজ ছাত্রীকে কৌশলে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। হঠাৎ এক ব্যক্তি বাসের ওখানে ছিনতাই হচ্ছে বলে শব্দ করে স্থান ত্যাগ করে। তখন পুলিশের সন্দেহ হলে তারা বাসের যাত্রীর কাছে গেলে জিজ্ঞাসাবাদে মেয়েটা কান্না জড়িত কণ্ঠে ঘটনা খুলে বলে। পরে তাদের তিন জনকে আটক এবং নারী যাত্রীকে উদ্ধার করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়।
মধুপুর-এলেঙ্গা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরীফ বলেন, বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর সরকারি বাংলা কলেজের দর্শন বিভাগের জনৈক ছাত্রী (২৬) ঢাকার রেডিও কলোনি থেকে আশুলিয়া যাওয়ার জন্য সাভার পরিবহনের চন্দ্রা টু ঢাকার গাড়িতে ওঠেন। বাসে তখন দুইজন যাত্রী ছিলেন। পরে যাত্রীরা নামার পর ওই কলেজছাত্রীকে জোর করে আটকে রেখে চালক-হেলপার ও হেলপারের সহযোগী সঙ্গে থাকা স্বর্ণালংকার, টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। পরে বাসটি বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করে ওই তরুণীকে রাতভর দলবদ্ধ ধর্ষণ চালায় এবং ওই দৃশ্য ভিডিও ধারণ করে। পরে যমুনাসেতু-ঢাকা মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনের করটিয়া আন্ডারপাস এলাকায় মহাসড়কের ওপর বাসটি সন্দেহজনক অবস্থায় দাঁড় করালে হাইওয়ে পুলিশ বাসটিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনা জানতে পারে।
তিনি বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের গাড়িসহ টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে।
