বিএনপি প্রার্থীর মিডিয়া ও প্রচার উপ-কমিটির প্রশিক্ষণ কর্মশালা

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭:২৮ | অনলাইন সংস্করণ

  ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব বলেছেন, বিএনপি আগামীতে রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে কি কি উন্নয়ন করবে, সেগুলো বেশি বেশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করতে হবে। তাই মিডিয়া ও প্রচার কমিটির নেতৃবৃন্দকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আরো সক্রিয় হতে হবে। ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা চালাতে হবে।

গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় ঈশ্বরদী উপজেলা পাকশী নতুন রুপপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৭১ পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) মিডিয়া ও প্রচার উপ কমিটির আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয়ের জন্য শুধু নির্বাচনী কাজ করলেই হবে না, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছোসেবক দল, বিএনপি ও সব অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সজাগ থাকতে হবে। চোখ কান খোলা রেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেমন প্রচারণা চালাতে হবে, তেমনি সব অপপ্রচারের সুন্দরভাবে জবাব দিতে হবে।

মিডিয়া ও প্রচার উপকমিটির আহবায়ক ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানবীব হাসান সুমনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক কাইয়ুম-উল-হাসান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা আমির ফয়সাল, তোফায়েল ইমরান তুহিন, পাবনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য ও উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য নূরুন নবী প্রমুখ।

প্রশিক্ষণ কর্মশালা সঞ্চালনা করেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শরিফুল ইসলাম শরিফ ও মিডিয়া ও প্রচার উপকমিটির যুগ্ন-আহবায়ক নয়ন রহমান চঞ্চল।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মিডিয়া ও প্রচার উপকমিটির সদস্য সচিব আর কে সবুজ, যুগ্ন-আহবায়ক নূরুল ইসলাম রতন, প্রভাষক আশরাফুল আলম সেলিম, প্রভাষক কোরবান আলী, আনোয়ার হোসেন বাচ্চু, এস এম আশরাফুল, হাফিজুর রহমান ভোলা, কামরুল জামান রতন, সোহেল বিশ্বাস, সাজিদুল ইসলাম সুজন, সদস্য রাকিবুল ইসলাম লাকী, রাজন আলী, ইসমাইল হোসেন মহন, কৌশিক তানভির পিয়াস, সৃজন জাকারিয়া সেন্টুসহ অনেকেই।

বক্তারা বলেন, অন্য দলের নেতিবাচক ইস্যুতেও ছাত্রদল, যুবদল, জাসাস, বিএনপি ও অন্য সব অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গঠনমূলক প্রচারণা চালাবে। কোনো নেতিবাচক কর্মকান্ড বা প্রোপাগান্ডার সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। সবার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করতে হবে। বিএনপি নেতাকর্মীদের কারো থেকে পিছিয়ে থাকার কোনো সুযোগ নেই।

তারা আরও বলেন, আমাদের দল ক্ষমতায় গেলে প্রতিটি মা-বোনদের হাতে একটি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। কৃষকদের একটি কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে সার, বীজ ও কীটনাশকসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ প্রথমে প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে। পরে পর্যায়ক্রমে বড় কৃষকরাও এই সুবিধার আওতায় আসবেন। এগুলো আমাদের মানুষকে বলে বুঝাতে হবে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ক্ষেত্রে বিএনপির পরিকল্পনা ভোটারদের মাঝে তুলে ধরতে হবে।