চুয়াডাঙ্গায় বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন
প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০:২৩ | অনলাইন সংস্করণ
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া চুয়াডাঙ্গায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালের দিকে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও দুপুরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারের চাপ বেড়ে যায়। লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটারদের ভোট দিতে দেখা যায়।
সারাদিনে মোটা অঙ্কের টাকাসহ ভোটকেন্দ্রে আসা, জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করা এবং অন্যান্য আচরণবিধি লঙ্ঘন করার অপরাধে একজনকে আটক এবং কয়েকজনকে জরিমানার আওতায় নিয়ে আসা হয়।
জেলার দুটি আসনের ৩৫৪টি কেন্দ্রে ৬০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিএম তারিক-উজ-জামান জানান, জেলার আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা ও চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজনকে ১৬ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।
সকালের দিকে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রিজিয়া খাতুন প্রভাতী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে ৭৯ হাজার ৩০০ টাকাসহ জামায়াতে ইসলামীর এক ওয়ার্ড আমীরকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আটক ব্যক্তির নাম মো. শরীফ।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
সরেজমিনে জেলার বেশ কিছু ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, সকালের দিকে কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে ভোটার উপস্থিতিও বেড়ে যায়। দুপুরের দিকে দীর্ঘ লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটারদের ভোট দিতে দেখা যায়। প্রায় সব ভোটকেন্দ্রেই নারী ভোটারের উপস্থিতি বেশি লক্ষ্য করা গেছে।
ভোটগ্রহণ চলাকালে দামুড়হুদার নাপিতখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং অফিসার ডা. তরিকুল ইসলাম জানান, ‘শাহাবুদ্দিন নামের এক ভোটার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার পরও তিনি আবারও ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দেওয়ার চেষ্টা করেন। তাকে আটক করে অর্থদণ্ড আদায় করে মুক্তি দেওয়া হয়।’
চুয়াডাঙ্গা জেলায় দুটি আসনে ৩৫৪টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। কোথাও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ব্যালট বাক্স ছিনতাই কিংবা ভয়ভীতি দেখানোর মত জোরালো কোনো অভিযোগও আসেনি বলে জানান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিএম তারিক-উজ-জামান।
