ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে সেমিনার ও কর্মশালা

প্রকাশ : ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯:৩৮ | অনলাইন সংস্করণ

  ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণমাধ্যমের অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন বিষয়ক কর্মশালা গতকাল মঙ্গলবার সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এ কর্মশালা ও সেমিনারের আয়োজন করে। এতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ৪৫ জন সাংবাদিক অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ. কে. এম. আব্দুল হাকিম। একই সঙ্গে তিনি প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহানের সভাপতিত্বে এতে স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা তথ্য অফিসার দীপক চন্দ্র দাস।

আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব (উপ-সচিব) মো. আব্দুস সবুর। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আবু সাঈদ মো. গাওছাল আজম। এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন কুমার দে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, সাধারণ সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বলা হয়, “বর্তমান সময়ে দ্রুত সংবাদ পরিবেশন করতে গিয়ে অপবাদ চলে আসে। দীর্ঘদিনের অর্জন বিসর্জন হয়ে যায়। তাই দ্রুত করতে গিয়ে বস্তুনিষ্ঠতা হারালে চলবে না। এ পেশার অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে।”

আলোচকরা বলেন, “সাংবাদিকতা হতে হবে অবশ্যই বস্তুনিষ্ঠ। নইলে এতে সামাজিক অনেক প্রভাব পড়বে। এতে সবারই ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই সাংবাদিকদের এ ক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে।”

প্রধান অতিথি ও প্রধান আলোচক এ. কে. এম. আব্দুল হাকিম বলেন, “সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ না হলে সাংবাদিকদের অনেক অধিকার আদায় হয় না। তাই অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। বিভাজন থেকে বের হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “অনেকেই বলে থাকেন অপসাংবাদিকদের কেন জেল-জরিমানা দেওয়া হয় না। আসলে সাংবাদিকতা বড় পেশা। তাকে ধমক দিলেই যথেষ্ট। জেল-জরিমানা করলে ঠিক হবে—এমন নয়।”