সিরাজগঞ্জে মোবাইলের আলোয় চলছে হাট-বাজারের বেচাকেনা
প্রকাশ : ৩০ মার্চ ২০২৬, ২০:৩০ | অনলাইন সংস্করণ
এস.এম তফিজ উদ্দিন, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের হাট-বাজারে দোকানিরা মাথার সামনে মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে বেচাকেনা করছেন। সন্ধ্যার পর হাট-বাজারে এ দৃশ্য চোখে পড়ার মতো। তবে জীবন ঝুঁকি নিয়েও তারা এ বেচাকেনা করছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে দোকানিরা সন্ধ্যার পর মাথার সামনে বাটন মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে নানা রকম মালামাল বেচাকেনা করছেন। হাট-বাজারের বিভিন্ন দোকানিরা এ পদ্ধতিতে বেচাকেনা করছেন।
বিশেষ করে খুচরা কাঁচামাল দোকানিরা বেশি বেচাকেনা করছেন। এছাড়াও অন্যান্য চাটাই দোকানিরাও একই পদ্ধতিতে বেচাকেনা করছেন।
রোববার সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী হাটের কাঁচাবাজারে এ দৃশ্য চোখে পড়ে। এ হাটের বেগুন, আলু, কাঁচামরিচ, পেয়াঁজ ও অন্যান্য খুচরা কাঁচামাল ব্যবসায়ী রুস্তম (৫০), আব্দুস সালাম (৫২)সহ অনেকেই এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলেন।
তারা জানান, হাটের সর্বত্র খুঁটি বিদ্যুতের ব্যবস্থা না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে হাটে আসার আগে বাটন মোবাইল ফোন চার্জ দেওয়া হয় এবং হাটে সন্ধ্যার পর ওই মোবাইল ফোন মাথার সামনে গামছার ভাঁজে রাখা হয়। এ ফোনের আলোতেই বেচাকেনা করা হয়। এতে ক্রেতা ও বিক্রেতারা উভয়ই সুবিধা ভোগ করেন।
অপর এক প্রশ্নে তারা বলেন, হ্যারিকেন ও হাটবাতির চেয়ে মোবাইলে খরচ কম ও আলো বেশি হয়। শুধু এখানেই নয়, জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে একই পদ্ধতিতে বেচাকেনা হয়ে থাকে।
ঝুঁকির বিষয়ে তারা স্বীকার করে বলেন, সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এ মোবাইল ব্যবহার করা হয় এবং সাবধানতার সঙ্গে হাট-বাজারে এ ব্যবসা করেই সংসার চালাতে হয়।
স্থানীয়রা বলছেন, হাটের যেখানে-সেখানে খুচরা কাঁচামাল ব্যবসায়ীরা অবস্থান নিয়ে বেচাকেনা করছেন। খুচরা কাঁচামাল ব্যবসায়ীদের এমন অবস্থা দেখার কেউ নেই।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বিদ্যুৎ প্রকৌশলী আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, একটি মোবাইল চার্জের পর মাথায় বেঁধে আলো ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
