চাঁদপুরে মাদ্রাসায় ভাঙচুর-লুটতরাজের প্রতিবাদে মানববন্ধন
প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:৪২ | অনলাইন সংস্করণ
চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী মানুরী ইসলামীয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ এবং অফিস সহকারীর কক্ষে ভাঙচুর ও লুটতরাজের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী, অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
এর আগে, গত ৯ এপ্রিল দিনগত রাতে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও অফিস সহকারীর কক্ষের দরজা এবং আলমারির তালা ভেঙে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিচে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। এতে মাদ্রাসার প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে মর্মে ১১ এপ্রিল থানায় লিখিত অভিযোগ দেন অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আমিনুল হক।
মানববন্ধনে দুষ্কৃতিকারীদের বিচারের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বক্তব্য দেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, আরবি বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক মো. সফিকুর রহমান মজুমদার, বাংলা বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য দেন আরিফুল ইসলাম ও আনিছা তাবাচ্ছুম।
মানববন্ধনে অভিভাবক মো. পারভেজ, মো. মিজানুর রহমানসহ এলাকার সর্বস্তরের লোকজন অংশগ্রহণ করেন।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আমিনুল হক বলেন, ঘটনার পর শিক্ষকদের নিয়ে আমরা দেখেছি দুর্বৃত্তরা মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলার গ্রীল কেটে দুটি কক্ষে প্রবেশ করে। দুটি কক্ষের দরজা ও আলমারির তালা ভেঙে সব তছনছ করে ফেলে রেখে যায়। এছাড়াও মূল্যবান কাগজপত্র নিয়ে গেছে। থানায় অভিযোগ দিয়েছি। এই বিষয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করি।
অন্যান্য বক্তারা শতবছরের পুরনো এই প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের হামলা, ভাঙচুর ও লুটতরাজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। পাশাপাশি তারা ঘটনা জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ দুইবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অধ্যক্ষ সহযোগিতা করলে ঘটনায় জড়িতের চিহ্নিত করা যাবে।
ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেটু কুমার বড়ুয়া বলেন, ঘটনাটি আমাকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়নি। তবে আমি খোঁজ খবর নেবো এবং থানার ওসির সাথে কথা বলবো।
