চুয়েটে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:৩৭ | অনলাইন সংস্করণ

  চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এ উৎসবমুখর পরিবেশে ‘বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩’ উদযাপিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ই এপ্রিল) এ উপলক্ষ্যে চুয়েটের প্রশাসনিক ভবন-২ এর সামনে থেকে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর ‘এসো হে বৈশাখ’ গান পরিবেশনের মাধ্যমে বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

চুয়েট পরিবারের বিপুল সদস্যের অংশগ্রহণে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীরা নববর্ষের ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড, বাঁশি, ব্যানার নিয়ে আনন্দে মেতে শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয়।

শোভাযাত্রা শেষে ক্যাম্পাস গোলচত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান।

এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চুয়েটের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির। প্রভোস্টদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. বিপুল চন্দ্র মন্ডল।

অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানমালার সভাপতি ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. মো. মুক্তার হোসাইন।

দিবসের অনুষ্ঠানমালা সঞ্চালনায় ছিলেন উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মোহাম্মদ ফজলুর রহমান ও সহকারী লাইব্রেরিয়ান শারমিন সুলতানা তমা।

এ সময় প্রধান অতিথি চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া উপস্থিত সকলকে বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ এর শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “পহেলা বৈশাখ আমাদের ঐতিহ্যবাহী বাঙালি উৎসব— যা ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায়ের ঊর্ধ্বে উঠে সমগ্র জাতিকে একসূত্রে গেঁথে দেয়। এই দিনটি সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য, বন্ধুত্ব, আনন্দ ও ভালোবাসার এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়, যেখানে আমরা সবাই একত্রিত হই নতুন আশা ও উদ্দীপনায়। এবারের প্রতিপাদ্য ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’—আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা তুলে ধরে। এই চেতনা ধারণ করে আমরা যেন ঐক্য, ন্যায় ও দায়িত্ববোধের মাধ্যমে একটি উন্নত, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।”