সিরাজগঞ্জে ভুট্টায় বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ২১:৫৬ | অনলাইন সংস্করণ

  এস.এম তফিজ উদ্দিন, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জে এবার চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে ভুট্টা চাষাবাদে বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতিমধ্যেই এ ভুট্টা কাটা ও মাড়াই শুরু হয়েছে। বাজারে দাম ভালো থাকায় কৃষকেরা খুশি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ১৪ হাজার ১২৫ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল।

এ চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি চাষ করেছেন কৃষকেরা। তবে বিশেষ করে উল্লাপাড়া, চৌহালী, কামারখন্দ, তাড়াশ, কাজিপুর ও সদর উপজেলার চরাঞ্চলে ভুট্টা চাষাবাদ বেশি করেছেন কৃষকেরা।

স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, ধানের তুলনায় ভুট্টা চাষাবাদে খরচ কম, লাভ বেশি। এ মৌসুমি চাষাবাদে জমিতে সারিবদ্ধভাবে ভুট্টার বীজ রোপণ করা হয় এবং কম খরচে কৃষকেরা এ চাষাবাদ বেশি করেছেন। বিশেষ করে যমুনা নদীর চরাঞ্চল ও খালবিল এলাকায় বিভিন্ন জাতের এ ভুট্টা চাষাবাদ করা হয়েছে।

এ চাষাবাদে সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগের সহযোগিতা পেয়েছেন প্রান্তিক কৃষকেরা। ইতিমধ্যেই আগাম জাতের ভুট্টা কাটা ও মাড়াই শুরু হয়েছে। উৎপাদিত ভুট্টা বিশেষ করে গরু খামার ও মুরগির খামারের অন্যতম খাদ্য এবং ভুট্টার আটাসহ বিভিন্ন সুস্বাদু খাদ্য তৈরি হয়ে থাকে। ভুট্টার দানা ছাড়াও পাতা গবাদি পশুর খাদ্য এবং গাছ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হয়। এছাড়া সোনালি রঙের এ ভুট্টার থোড় ফেরি করেও বিক্রি করা হয়।

প্রতি বিঘায় ২৫ থেকে ২৬ মণ ভুট্টা উৎপাদিত হয়। প্রতিমণ ভুট্টা ১১০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকায় এখন বিক্রি হচ্ছে। এজন্য এ লাভজনক চাষাবাদে কৃষকেরা খুশি।

এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, এবার এ চাষাবাদে চরাঞ্চলসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতিমধ্যেই এ লাভজনক ফসল কাটা ও মাড়াই শুরু হয়েছে। এ চাষাবাদে প্রান্তিক চাষীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বাজার ভালো থাকায় কৃষকেরা খুশি বলে তিনি উল্লেখ করেন।