মুন্সীগঞ্জে মাদকসেবীদের হামলায় আহত ৫, শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৩ | অনলাইন সংস্করণ
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জে খেলার মাঠ দখলে বাঁধা দেওয়ায় স্থানীয় মাদকসেবী ও সন্ত্রাসীদের হামলায় ৫ জন আহত হয়েছে। আহতরা হলেন বজ্রযোগীনী ইউনিয়নের চুরাইন এলাকার মাহবুব, জাহিদ, জাহাঙ্গীর, ইয়াছিন ও শাওন।
এ ঘটনায় আহত মাহবুব দেওয়ান কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা যায়, চুরাইন ছোট বটতলার বাসিন্দা নুরু বেপারীর কাছ থেকে জমি ভাড়া নিয়ে খেলার মাঠ উপযোগী করে খেলাধুলার আয়োজন করছিল স্থানীয় কিছু যুব সমাজ। এলাকার মাদকসেবীরা খেলতে আসা যুব সমাজকে প্রায়ই খেলাধুলা করতে বাঁধা প্রদান করে এবং মাঠে না আসার জন্য হুমকি প্রদান করে। এসব ঘটনায় মাহবুব দেওয়ান প্রতিবাদ করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বজ্রযোগীনী ইউনিয়নের সামসুলের নির্দেশে চুরাইন ছোট বটতলায় সোহেল, দ্বীন ইসলামসহ ১০/১২ জন সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোকজন দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে এলাকার ছেলেদের খেলাধুলার মাঠ দখল করতে আসে। এসময় মাহবুব বাঁধা দিলে তাকে লোহা ও কাঠের ডাসা দিয়ে বেদম প্রহার করে মাথায় আঘাত করে। বাঁধা দিলে জাহিদ, জাহাঙ্গীর, ইয়াছিন ও শাওনকে মাথায় বাড়ি দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে— এসব তথ্য জানান মাহবুব।
এদিকে এ বিষয়ে চুরাইন এলাকাবাসী ও সচেতন সমাজের ব্যানারে শনিবার বিকালে ছোটবটতলায় চুরাইন এলাকায় সোহেল, শামসুল ও দ্বীন ইসলামকে মাদক ব্যবসায়ী আখ্যা দিয়ে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করে।
এছাড়াও তাদের অপকর্ম ঢাকতে স্থানীয় যুব সমাজ মাহবুব, জাহাঙ্গীর, শাওন ও সায়েমদেরকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে হয়রানির অভিযোগ সামসুল ও সোহেলের বিরুদ্ধে করা হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার মোশারফ হোসেন দেওয়ান বলেন, চুরাইন এলাকার মাদক ব্যবসায়ী সন্ত্রাসী সামসুল, সোহেল, দ্বীন ইসলামের অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ। তাদের অবৈধ কর্মকাণ্ডে বাঁধা দিলে তারা এলাকার মুরব্বী ও ছেলে-পেলেদের মারধর করে। আমরা তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ। মাননীয় পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন নিবেদন, তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক।
মানববন্ধনে অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন নুর হোসেন, মমিন মোল্লা, শহীদ জিয়া পরিষদ সদর উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মমিন মোল্লা, এছাড়াও ছিলেন শাওন দেওয়ান, সৈয়দ শেখ জাহাঙ্গীর দেওয়ানসহ স্থানীয় ভুক্তভোগী নারীরা।
