দুর্নীতি মামলায় সিরাজগঞ্জের পিআইওকে পাবনায় গ্রেপ্তার
প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ১৮:১৬ | অনলাইন সংস্করণ
স্টাফ রিপোর্টার, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল কালাম আজাদকে দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার করেছে দুদক।
রোববার রাতে পাবনার সুজানগর উপজেলার হাসামপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আবুল কালাম আজাদ পাবনার সুজানগর উপজেলার হাসামপুর গ্রামের শমসের আলী মিয়ার ছেলে।
দুদকের পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, ২০২৩ সালে ওই পিআইও’র বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধানে নামে দুদক। ২০২৪ সালের ৮ মে আবুল কালাম আজাদ, তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুন ও ছেলে ফজলে রাব্বি রিয়নের বিরুদ্ধে সম্পদবিবরণী জারির আদেশ দেওয়া হয়। এ আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ৩ জুলাই তারা সম্পদবিবরণী দুদকে দাখিল করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১১ মার্চ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে পৃথক ৩টি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় পিআইও ১ কোটি ৩২ লাখ ৪৬ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। তার স্ত্রী স্বামীর অবৈধ আয় দ্বারা ১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৩ হাজার ৪৮৩ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জনপূর্বক ভোগ দখলে রেখেছেন এবং ছেলের বিরুদ্ধে বাবার অবৈধ ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৬ হাজার ৯৪১ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ ভোগ দখলের অভিযোগ আনা হয়।
এদিকে পিআইও’র শ্যালক জামাল উদ্দিন ফকিরের নামে অস্বাভাবিক সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। পরে ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর তার নামে সম্পদ বিবরণী নোটিশ জারি করলে ৮ ডিসেম্বর ৩২ লাখ ৪৬ হাজার টাকা মূল্যের স্থাবর ও ১ কোটি ৩৩ লাখ ১১ হাজার ১৮২ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য দেয়। এ সম্পদ বিবরণী অনুসন্ধানকালে তার নামে ৩২ লাখ ৪৬ হাজার টাকা মূল্যের স্থাবর ও ১ কোটি ৫৯ লাখ ৪০ হাজার ১৮২ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। পরে ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর শ্যালককে প্রধান আসামী করে আরো একটি মামলা করা হয়েছে।
পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে পাবনার ওই গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে দুদক টিম। ওইদিন রাতেই তাকে পাবনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
