পীরগঞ্জে মহাসড়কে অবাধে চলছে ধান, খড় ও ভুট্টা শুকানো
প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ১৮:২৪ | অনলাইন সংস্করণ
পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি

রংপুর-বগুড়া মহাসড়ক যেন এখন কৃষকদের ধান, খড় ও ভুট্টা শুকানোর চাতালে পরিণত হয়েছে। মহাসড়কের পীরগঞ্জ ও মিঠাপুকুর এলাকার প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে যান চলাচল অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রংপুর শহরের অনতিদূরে মিঠাপুকুরের দমদমা ব্রিজ থেকে পীরগঞ্জের বিটিসি পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার মহাসড়কের দুই পাশে অবাধে ধান, গম ও ভুট্টা শুকানোর কাজ চলছে। রাস্তায় অসংখ্য খড়ের গাদা। দুই পাশে গ্রামবাসীরা মহাসড়কের ওপরই যান্ত্রিক মেশিন দিয়ে ধান ও ভুট্টা মাড়াই করছেন। মাড়াই শেষে খড় ও ধান সড়কেই শুকানো হচ্ছে। এ পরিস্থিতির কারণে চার লেন বিশিষ্ট মহাসড়কের দুই পাশে হালকা যানবাহন চলাচল অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এসব যানবাহন উঠে পড়ছে ভারী যানবাহন চলাচলের জন্য নির্ধারিত মূল সড়কে। কোনো কোনো স্থানে মূল সড়কেও শুকানো হচ্ছে খড়। সার্বিক এ পরিস্থিতির কারণে পুরো মহাসড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বাস ও ট্রাকচালকদের মতে মহাসড়কের মল লেনে হালকা যানবাহন ও খড় শুকানোর কারণে ভয়ের মধ্যে দিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। কি জানি কখন কোন দুর্ঘটনা ঘটে।
তবে কৃষকরা বলছেন, বাড়ির সামনে এখন তেমন ফাঁকা জায়গা নেই। তাই বাধ্য হয়ে মহাসড়কেই ধান শুকাতে হচ্ছে। গৃহীনীরা বলছেন, অনেকে পাকা রাস্তায় ধান শুকাচ্ছে, তাই তারাও শুকাচ্ছেন।
এ বিষয়ে বড়দরগাহ হাইওয়ে থানা পুলিশের ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, আমরা মানুষকে বারবার বুঝাচ্ছি, নিষেধ করছি, কিন্তু কাজ হচ্ছে না।
রংপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান-এর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন অর্থাৎ যাদের হাতে পুলিশিং ক্ষমতা আছে তাদের এ বিষয়টি দেখা উচিত।
