যানবাহনের চাপ বাড়লেও সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে স্বাভাবিক চলাচল
প্রকাশ : ২৬ মে ২০২৬, ১৮:৫৮ | অনলাইন সংস্করণ
এস.এম. তফিজ উদ্দিন, সিরাজগঞ্জ

পরিবারের সঙ্গে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরছে মানুষ। এতে মঙ্গলবার ভোর রাত থেকে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। তবে যানজট না থাকায় এবার স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছে যাত্রীরা। একইসঙ্গে মহাসড়কের নিরাপত্তায় জেলা পুলিশের প্রায় ৭’শ পুলিশ সদস্য কঠোর ভূমিকা পালন করছে। দিনরাত পুলিশের এমন তৎপরতায় চালক ও যাত্রী সাধারণ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
সকাল থেকে যমুনা সেতু পশ্চিমপাড় থেকে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার মহাসড়কে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানবাহনে ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়তে থাকে। তবে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে তেমন যানজট চোখে পড়েনি।
চালক ও যাত্রীরা জানান, যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ, উড়াল সেতু ও হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ নির্মাণ হওয়ায় উত্তরের ঈদযাত্রায় এবার স্বস্তি মিলছে। তাদের ভাষ্য, যানজট না থাকায় কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই নির্বিঘ্নে ও আনন্দে বাড়ি ফিরতে পারছেন।
এ বিষয়ে যমুনা সেতু পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিরুল ইসলাম ও হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ওসি ইসমাইল হোসেন জানান, ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে জেলা ও হাইওয়ে পুলিশ সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে। যমুনা সেতু গোলচত্বর এলাকাসহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের বিভিন্ন রুটে পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশের এএসপি দেলোয়ার হোসেন বলেন, মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশ দিনরাত নিরাপত্তায় কাজ করছে। এজন্য হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ এলাকায় নির্দেশনা মঞ্চ স্থাপন করা হয়েছে। এ মঞ্চ থেকে মাইকযোগে বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে ৫৩ হাজার ২৪৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫৮ হাজার ২০০ টাকা। যমুনা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (সাইট অফিসার) সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
